অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে কালিয়াকৈর সরকারি কলেজে বিক্ষোভ

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৭ এএম
অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে কালিয়াকৈর সরকারি কলেজে বিক্ষোভ

সূত্রঃ ছবি: বিডিমেইল

শাকিল হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি


গাজীপুরের কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাসের কয়েকটি স্থানে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।


রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে কলেজের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা।


বিক্ষোভ চলাকালে ক্যাম্পাসের কয়েকটি স্থানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও এতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।


শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণসহ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করে আসছেন। এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ও সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি পালনের বিষয়েও কয়েকজন শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলে তারা দাবি করেন।


কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক বাইজিদ আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো দীর্ঘদিনের। কলেজ প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।


তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ আহাম্মদ উল্লাহ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে মাঠে অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। তবে কলেজ ভবনের মিলনায়তনে জুলাই-আগস্টের সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিগুলো যথাযথভাবে পালন করা হয়েছে।


ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।


কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলা হয়েছে।


বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এতে কারা জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।