শরীয়তপুরে NCTF সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত
রবিউল মোল্লা, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি
জাতীয় শিশু টাস্কফোর্সের (National Children’s Task Force-NCTF) শরীয়তপুর জেলা কমিটির সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্বের বিকাশ এবং শিশু অধিকারবিষয়ক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) শরীয়তপুরের জীবনতরী মুক্ত স্কাউট গ্রুপের স্কাউট ডেনে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়ে বিকেল ২টা পর্যন্ত চলে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। এতে জেলা কমিটির ১১ জন এবং সাধারণ সদস্য ৯ জনসহ মোট ২০ জন অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও জীবনতরী মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সভাপতি অধ্যাপক মাকসুদা খাতুন।
প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এখন টেলিভিশনের প্রতিবেদক কাজী মনিরুজ্জামান মনির এবং একই টেলিভিশনের চিত্রসাংবাদিক মো. সজিব খান। প্রশিক্ষণ পরিচালনায় সহযোগিতা করেন NCTF শরীয়তপুর জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির চাইল্ড পার্লামেন্ট সদস্য স্নিগ্ধা আফরোজ।
দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে সদস্যদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিষয়গুলো হলো—শিশু সাংবাদিকতা, শিশু গবেষণা, ফটোগ্রাফি এবং অ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন।
শিশু সাংবাদিকতা সেশনে সংবাদ সংগ্রহ, সংবাদ লেখার কৌশল এবং গণমাধ্যমে শিশুদের মতামত, সমস্যা ও অধিকার তুলে ধরার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
শিশু গবেষণা সেশনে শিশুদের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ, তথ্য সংগ্রহ, তথ্য বিশ্লেষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
ফটোগ্রাফি সেশনে ছবি তোলার কৌশল এবং আলোকচিত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনা, বাস্তবতা ও গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিষয় তুলে ধরার পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, অ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন সেশনে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে কার্যকর প্রচারাভিযান পরিচালনার কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে NCTF সদস্যদের জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের সক্ষমতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে। অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সদস্যরা শিশু অধিকার রক্ষা, শিশুদের মতামত ও দাবি তুলে ধরা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারবেন।
এমকে/বিএম২৪








