রাশেদ খাঁনকে নিয়ে আমির হামজার বিতর্কিত মন্তব্য, বললেন ‘রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার যোগ্যতাও নেই’
সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামী বক্তা আমির হামজা। তিনি বলেছেন, চাটাচাটি করে পদটি না পেলে রাশেদ খাঁনকে হয়তো রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে হতো। এমনকি রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ারও তাঁর যোগ্যতা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সম্প্রতি বগুড়ার একটি মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব মন্তব্য করেন আমির হামজা।
বক্তব্যে তিনি বলেন, “চাটাচাটি করে এ পদটা যদি আজ না পেত, আমার মনে হয় আজ রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে খাওয়া লাগত। ওর তো রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ারও যোগ্যতা নেই। ওর কি যোগ্যতা আছে রাস্তা ঝাড়ু দিতে নেবে মানুষ? অথচ সে আজ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী।”
রাশেদ খাঁনকে উদ্দেশ করে আমির হামজা আরও বলেন, তাঁরা আজ আলেমদের পেছনে লাগছেন। তাঁদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করলে নানা বিষয় পাওয়া যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় তিনি রাশেদ খাঁনের চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
রাশেদ খাঁনকে ঘিরে প্রকাশিত নারীসংক্রান্ত কথোপকথনের অডিও ও ভিডিওকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বলে দাবি করেন আমির হামজা। এ প্রসঙ্গে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর একটি ঘটনার উল্লেখ করেন।
আমির হামজা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রিমান্ডে থাকাকালে ডিসি ও এসপিরা তাঁকে মোবাইল ফোনে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর কণ্ঠের মতো একটি কথোপকথন শুনিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, সে সময়ও এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন অডিও তৈরি করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, মানুষের পেছনে যারা লেগে থাকে, আল্লাহ যেন তাদের কথা বন্ধ করে দেন।
এর আগে গত ৬ নভেম্বর আমির হামজার কথোপকথনের একটি অডিও ফাঁসের দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, আমির হামজাকে ঘিরে নারীসংক্রান্ত কিছু ভিডিও ও অডিও তাঁর কাছে এসেছে। সেগুলো ফ্যাক্ট চেক করে তথ্যের সত্যতা পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে কথোপকথনের কিছু অংশ প্রকাশ করে অডিওর লিংক মন্তব্যের ঘরে যুক্ত করার কথা জানান।
ফাঁস হয়েছে বলে দাবি করা ওই অডিওতে এক ব্যক্তিকে ক্ষমা চাওয়া, অনুতপ্ত হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। কথোপকথনে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি তাঁর কোনো রাগ, ক্ষোভ বা অভিমান নেই। শয়তানের প্ররোচনা কিংবা নিজের প্রবৃত্তির কারণে এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে উল্লেখ করে তিনি অনুতপ্ত বলেও জানান।
এমকে/বিএম২৪








