মাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে ও দাদি গ্রেপ্তার
সূত্রঃ সংগৃহীত
জুয়েল রানা, নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীর সদর উপজেলার বিনোদপুরে লাইলি বেগম (৪৬) নামে এক নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সৌরভ হোসেন (২৮) ও তার দাদি তফুরা বেগমকে (৭৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোররাতে উপজেলার বিনোদপুর গোপাই গ্রামের আলী আজম মহুরী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাইলি বেগম ওই গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। আলমগীর হোসেন গ্রাম পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাইলি বেগম ও তার ছেলে সৌরভ একই বসতঘরের পৃথক কক্ষে থাকতেন। শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে সৌরভ ঘুম থেকে উঠে মাকে শয়নকক্ষের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি তার দাদি তফুরা বেগমকে জানান। তফুরা ঘরে গিয়ে লাইলির মরদেহ দেখতে পান। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
পুলিশ জানায়, লাইলির গলার ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। এছাড়া বাম হাতের সামনের অংশ ও বাম হাঁটুতেও জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পিবিআই, সিআইডি ও ডিবির সদস্যরা।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সৌরভ মাদকাসক্ত হতে পারেন। তবে হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সুধারাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন বণিক জানান, প্রথমে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করা হয়েছিল। পরে তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ছেলে সৌরভ হোসেন ও তার দাদি তফুরা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তার দুজনকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।









