কেন পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করতেন ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া?

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
কেন পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করতেন ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া?

সূত্রঃ সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। এ সময় তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়।


এ ঘটনায় সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থাকার পরও তিনি এতে বাধা দেননি এবং তার কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছেন।


ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন নজরে আসে। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।


এরপর ১১ আগস্ট রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।


ডিবি জানায়, এসব কনটেন্ট মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে বিক্রি করা হতো। বিভিন্ন প্যাকেজের মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল।


সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া এই চক্র পরিচালনা করতেন। পুলিশ আরও দাবি করেছে, তার বাবা মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন এবং সেখান থেকে অর্থ গ্রহণ করতেন।


এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আদালতে গ্রেপ্তার দুজনের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।