বুটেক্সে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনী, আলোচনায় অভিনয় ও থিয়েটার
সূত্রঃ সংগৃহীত
বুটেক্স প্রতিনিধি
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) প্রদর্শিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে বুটেক্স সাহিত্য সংসদের আয়োজনে চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
‘সিন সিনারির একদিন ২.০’ শিরোনামের এ আয়োজনে ‘দ্য ড্রিম অব আ স্টোন লিফ’, ‘আফটার দ্য ক্রাউড’, ‘সহমত ভাই’, ‘মার্ডার’, ‘হু ফলোজ’, ‘আমার কোনো চাওয়া নেই’ ও ‘ভাগ্য’—এই সাতটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী ও সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় সাক্ষাৎকার পর্ব।
বুটেক্স সাহিত্য সংসদের থিয়েটার পরিচালক ফারাব মাহবুব চৌধুরীর পরিচালনায় সাক্ষাৎকার পর্বে উপস্থিত ছিলেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর অভিনয়শিল্পী সাবরিন আজাদ, এ কে আজাদ সেতু ও সিফাত রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্যকার ও সংলাপ রচয়িতা সামিউল ভূঁইয়া।
সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সাবরিন আজাদ বলেন, সিনেমায় অভিনয়ের ইচ্ছা তাঁর শুরু থেকেই ছিল। বড় পর্দায় কাজ করার সুযোগকে তিনি জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
চলচ্চিত্রটির গল্প বিন্যাস ও মূল সোর্স ম্যাটেরিয়াল থেকে বড় পর্দায় রূপান্তরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সামিউল ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ট্রেনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষের সমাগম ঘটে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গল্পে বিভিন্ন পেশা ও বয়সের চরিত্র যুক্ত করা হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব ও গল্পকে আকর্ষণীয় করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাওয়া তিন তরুণের চরিত্রও যুক্ত করা হয়।
চলচ্চিত্রের প্রতিটি ফ্রেমকে নিখুঁত করে তুলতে অভিনয়শিল্পীদের পাশাপাশি পেছনের কারিগরি দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
অভিনয়ের ভিত্তি হিসেবে থিয়েটারের গুরুত্ব তুলে ধরে এ কে আজাদ সেতু বলেন, ‘অভিনয় ও শিল্পচর্চায় থিয়েটারই সবচেয়ে বড় পাঠশালা।’ তাঁর মতে, থিয়েটারে একজন শিল্পী নিজেকে প্রতিনিয়ত নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ পান। একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
থিয়েটার সংস্কৃতি ও শেকড়ের সঙ্গে শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমের সমন্বয় ঘটায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দর্শকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ থাকায় থিয়েটার তাঁর সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা। পরিচালকের ভাবনা ও চিত্রনাট্য সঠিকভাবে অনুধাবন করে তার সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে পারলে নাটক, সিনেমা ও ওটিটিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করা সম্ভব।
অনুষ্ঠান শেষে প্রদর্শিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলোর পরিচালকদের হাতে স্মারক তুলে দেন অতিথিরা।
এমকে/বিএম২৪









