সংবিধান সংশোধন কমিটি নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী দলের টানাপোড়েন
সূত্রঃ সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ বণ্টন নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে সংসদীয় কমিটি পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনার সময় এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেন উভয় পক্ষের নেতারা।
অধিবেশনের মাগরিবের বিরতির পর সংসদীয় কমিটি পুনর্গঠনের কার্যক্রম শুরু হলে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। এ সময় তিনি বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন।
তবে বক্তব্যে বিষয়টি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেন বিরোধী দলীয় উপনেতা। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ বিরোধী দলের সদস্যদের দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যোগ দেওয়ার কোনো শর্ত বা সমঝোতা হয়নি।
সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, সংসদে তাদের সদস্যসংখ্যার অনুপাতে বিরোধী দল স্থায়ী কমিটির প্রায় ২৬ শতাংশ সদস্যপদ পাচ্ছে। একইভাবে কমিটিগুলোর সভাপতির পদেও আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব প্রত্যাশা করেছিল তারা। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটিতে বিরোধী দলের কাউকে সভাপতি করা হয়নি।
চিফ হুইপের সঙ্গে ফোনে কথোপকথনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যোগ দেওয়ার বিনিময়ে কমিটির সভাপতি পদ দেওয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। বরং বিরোধী দলের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলো, তারা ওই কমিটিতে অংশ নেবে না।
তিনি আরও বলেন, কোনো একটি কমিটিতে যোগ দেওয়ানোর জন্য শর্ত আরোপ করে চাপ সৃষ্টি করার রীতি তারা সমর্থন করেন না। অতীত সংসদের নানা তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, তারা সংসদকে সেই পুরোনো পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে নিতে চান না। প্রধানমন্ত্রী এটিকে জনগণের সংসদ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তাই এই সংসদে বিরোধী দল তাদের ন্যায্য অধিকার চায়।
অন্যদিকে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বিরোধী দলীয় উপনেতার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই তিনি আশা করেছিলেন যে বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেবে।
তিনি বলেন, গত ৫৪-৫৫ বছরে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ছাড়া অন্য কোনো সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ বিরোধী দলকে দেওয়ার প্রচলন ছিল না। এরপরও সরকার আনুপাতিক হারে বিরোধী দলকে ১০টি কমিটির সভাপতি পদ দিতে প্রস্তুত।
চিফ হুইপের বক্তব্য, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন। তাই সেই প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল অংশ নিলে কমিটির সভাপতি পদ দেওয়ার বিষয়ে সরকার সম্মত রয়েছে।
এ নিয়ে বিরোধী দলের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে বিভিন্ন দাবি তোলা হলেও সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা না করা পরস্পরবিরোধী অবস্থান।
তিনি জানান, স্পিকার নির্বাচনের আগে একটি ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তখন বর্তমান সংবিধানের আওতায় ডেপুটি স্পিকারের পদ বিরোধী দলকে দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। তবে বিরোধী দল সে সময় ওই পদ নিতে রাজি হয়নি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে বিধি ২২৬ অনুযায়ী বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচটি সদস্যপদ বিরোধী দলের জন্য রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সদস্যদেরও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি জানান, তার সভাপতিত্বে কমিটির একটি বৈঠক ইতোমধ্যে হয়েছে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে কমিটি একটি প্রতিবেদন তৈরি করবে। পরবর্তী সময়ে আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত বিবেচনায় নিয়ে সংবিধান সংশোধনী বিল তৈরি করা হবে।
বিরোধী দলকে কমিটিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তারা অংশ নিলে তাদের বক্তব্য ও মতামত কমিটির প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিরোধী দলের যেকোনো সময় অংশগ্রহণকে সরকার স্বাগত জানাবে।
থার্ড টার্মিনালে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা বরাদ্দের ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু করতে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ প্রশ্ন করেন, টার্মিনাল নির্মাণের ব্যয় ১৩ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া সিএজির তদন্তে প্রায় ৪ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে। এরপরও কাজ প্রায় শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
জবাবে মন্ত্রী বলেন, আগের সময়ে টার্মিনালের ভবন নির্মাণ ও উদ্বোধন করা হলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ অসম্পূর্ণ ছিল। ফলে প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার না করে পড়ে ছিল।
তিনি বলেন, একদিকে টার্মিনাল থেকে কোনো আয় হচ্ছিল না, অন্যদিকে জাইকার কাছ থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছিল। বর্তমান সরকার হিসাব পর্যালোচনা করে টার্মিনালের অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করা, বকেয়া পরিশোধ এবং অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন বলে দেখতে পেয়েছে।
এই অর্থ বরাদ্দ হলে দ্রুত টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হবে বলে জানান মন্ত্রী। এতে বর্তমানের প্রায় ১২ লাখ যাত্রীর পরিবর্তে দ্বিগুণ যাত্রীকে সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
১,৪৯৮ পর্যটন স্পট নিয়ে মহাপরিকল্পনা
দেশের প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি সম্ভাবনাময় পর্যটন স্থানকে নিয়ে সমন্বিত মহাপরিকল্পনা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পর্যটন খাতকে পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধবভাবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে ‘জাতীয় পর্যটন নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে।
পর্যটন খাতের সঠিক তথ্য ও পরিসংখ্যান তৈরির জন্য ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কাজও চলছে।
এ ছাড়া স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল ও সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগও রয়েছে।
ই-টেন্ডার সহজ করতে সংসদে প্রশ্ন
ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকারের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন।
তিনি বলেন, শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে ব্যবস্থা সহজ করা প্রয়োজন। ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট স্বল্প সময়ে প্রক্রিয়াটি করতে পারলে বর্তমান সরকারের ছয় মাসেও কেন তা সম্ভব হচ্ছে না, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান বলেন, বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তবে আইন ও বিধি অনুসরণ করেই প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানতে চান, ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও আর কত সময় প্রয়োজন।
পরে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস যুগোপযোগী করার কাজ চলছে। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় থাকা বিভিন্ন সিন্ডিকেটের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কয়েক দফা বৈঠকের পর একটি খসড়াও প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগগিরই এটি সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
ই-কমার্সে গ্রাহকদের পাওনা প্রায় ৩,৮৬৯ কোটি টাকা
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের করা অভিযোগের বিপরীতে দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সরকার।
জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা আনতে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা এবং ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি নিবন্ধন নির্দেশিকা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে এখন পর্যন্ত ৫৮ হাজার ৭২০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এসব অভিযোগে গ্রাহক ও বিক্রেতাদের দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা।
ভূমি অফিসে ঘুষের অভিযোগ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন
ই-নামজারি ও অনলাইনে খাজনা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হলেও সাবরেজিস্ট্রি ও ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না—এমন অভিযোগের বিষয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ।
তিনি দুর্নীতিতে জড়িত তহসিলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভুয়া দলিলের মাধ্যমে খাসজমি ও সংখ্যালঘুদের জমি দখলের সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালীদের তালিকা প্রকাশের দাবি জানান।
জবাবে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু জানান, ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তাদের কার্যক্রমের কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার।
চাহিদা অনুযায়ী সারের ঘাটতি নেই
দেশে কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সারের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কৃষকদের সঠিক সময়ে, সঠিক পরিমাণে ও নির্ধারিত মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, অঞ্চল, জেলা ও গুদামভিত্তিক চাহিদা, বরাদ্দ এবং মজুত পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। কোথাও মজুত কম থাকলে অন্য গুদাম বা অঞ্চল থেকে সার সরবরাহ করে ঘাটতি পূরণ করা হয়।
বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত ৩১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী
চোরা শিকার, বন উজাড়, নগরায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিভিন্ন কারণে গত কয়েকশ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৩১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সংসদে জানান, বিলুপ্ত প্রজাতির মধ্যে ১১টি স্তন্যপায়ী, ১৯টি পাখি এবং একটি সরীসৃপ রয়েছে।
কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, আইইউসিএনের ২০১৫ সালের জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বন্যপ্রাণীর অস্তিত্ব রক্ষায় ২০২৬ সালে দেশের রেড লিস্ট হালনাগাদের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে বন্যপ্রাণী কমিশন গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বনভূমি কমে যাওয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংকুচিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি চোরা শিকার, নগরায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বন্যপ্রাণী হুমকির মুখে পড়েছে।
এমকে/বিএম২৪








