ভারতে স্মরণীয় অভ্যর্থনা পাবেন তারেক রহমান

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৯ এএম
ভারতে স্মরণীয় অভ্যর্থনা পাবেন তারেক রহমান

সূত্রঃ সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সফর করলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ সম্মান ও স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন ঢাকা হোটেলে ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সম্মানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। এ সফরের সুফল শেষ পর্যন্ত দুই দেশের জনগণের কাছেই পৌঁছাবে।


তিনি জানান, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছে। এরপর তিনি সরাসরি দিল্লি গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে বৈঠকের বিষয়টি অবহিত করেন। নরেন্দ্র মোদি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্রুত বৈঠক হওয়া প্রয়োজন বলে বার্তা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।


ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ভারতের লোকসভার স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সফর করেছেন। তারাও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে আগ্রহী।


বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বিভিন্ন সমস্যা থাকার কথা স্বীকার করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এসব সমস্যা দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ককে দুর্বল করা উচিত নয়। ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুল বোঝাবুঝি বা ছোটখাটো প্রতিবন্ধকতা থাকতেই পারে। পরিবারের মধ্যেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, কিন্তু তাতে সম্পর্ক ছিন্ন হয় না।


অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ভারত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। গত কয়েক বছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়লেও তা এখনো কাঠামোগতভাবে ভারসাম্যহীন এবং সম্ভাবনার তুলনায় কম।


তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বিদ্যমান অশুল্ক বাধা, মান ও পরীক্ষাসংক্রান্ত জটিলতা, প্রশাসনিক বিলম্ব এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করার ওপর গুরুত্ব দেন।


সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে পাওয়া উষ্ণতা এবং দেশটির শিল্প খাতের আন্তরিকতা প্রশংসনীয়। দুই দেশের মধ্যে আরও ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি করে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে সিআইআই কাজ করবে বলেও জানান তিনি।


অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী, আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরীসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।