রামেক হাসপাতালে অভিযানে দালাল চক্রের সদস্য আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
রামেক হাসপাতালে অভিযানে দালাল চক্রের সদস্য আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা

সূত্রঃ বিডি মেইল

ইব্রাহীম হোসেন সম্রাট, রাজশাহী ব্যুরো 


রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের প্রভাবিত করে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে দালাল চক্রের কয়েকজন সদস্যকে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৫। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।


বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগে গোয়েন্দা নজরদারি চালায় এসআরবি-৫-এর সদস্যরা। এ সময় রোগী ও তাঁদের স্বজনদের চিকিৎসাসেবা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা এবং দালালি কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়।


পরে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এরপর ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত অপরাধের ধরন বিবেচনায় আটক ব্যক্তিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন।


অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে। চক্রটির সদস্যরা চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের টার্গেট করে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা, অ্যাম্বুলেন্স ও দ্রুত সেবা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। পরে তাঁদের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।


সাজাপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন—মো. দুলাল, আহসান আলী, মো. রনি, মুন্না বাবু দত্ত, শরিফুল, জাকির, মো. তালিমুল ইসলাম ও মো. বিপ্লব।


তবে অভিযানে আটক ব্যক্তির সংখ্যা নিয়ে প্রদত্ত তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। প্রতিবেদনের শুরুতে সাতজন আটকের কথা বলা হলেও পরে আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে আটকের প্রকৃত সংখ্যা ও সবার সাজা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশে যুক্ত করা প্রয়োজন।