বালীগাঁও বিপিএল সিজন-৫: জমজমাট লড়াইয়ে ফাইনালের পথে এটাক টাইটান
সূত্রঃ ফাইল ছবি
মো. শাহনেওয়াজ, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি
‘মাদক আনে ধ্বংস, ক্রীড়া আনে শান্তি’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার বালীগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বালীগাঁও বিপিএল সিজন-৫-এর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ক্রিকেট ম্যাচ। জমজমাট লড়াইয়ে বালীগাঁও ইয়ংস্টারকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে গেছে এটাক টাইটান।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বালীগাঁও এমএসএম ইটখোলা মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে বালীগাঁও ইয়ংস্টার। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি ১২ ওভারে নামিয়ে আনা হয়। নির্ধারিত ১২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান সংগ্রহ করে বালীগাঁও ইয়ংস্টার।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে এটাক টাইটান ৫ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্য অতিক্রম করে। ফলে ৫ উইকেটে জয় পেয়ে ফাইনালের পথে জায়গা করে নেয় দলটি।
ম্যাচে ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন এটাক টাইটানের মিয়াদ। তিনি মাত্র ১৪ বলে ৪১ রান করার পাশাপাশি বল হাতে দুটি উইকেট শিকার করেন।
ম্যাচ ঘিরে শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। মাঠে উপস্থিত দর্শকরাও পুরো ম্যাচজুড়ে করতালি ও উচ্ছ্বাসের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন।
খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. নাজমুল গনি (লাভলু)। সভাপতিত্ব করেন আঞ্জুমান রহমানিয়া মাঈনীয়া মাইজভান্ডারিয়া গাজীপুর জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন।
খেলার উদ্বোধন করেন বালীগাঁও জয়দেব বাড়ী দুর্গা মন্দিরের সভাপতি স্বর্ণ কমল দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন বালীগাঁওয়ের দুবাইপ্রবাসী মো. মামুন মিয়া।
ম্যাচ পরিচালনা করেন আম্পায়ার সজল দাস ও মামুন। ধারাভাষ্যকারের দায়িত্বে ছিলেন শাহাদাত ও শিহাব এবং স্কোরারের দায়িত্ব পালন করেন জাহিদ ও রহমতুল্লাহ।
দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের ম্যাচটি উপভোগ করতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
আয়োজক বালীগাঁও বিপিএল ম্যানেজমেন্ট কমিটির পক্ষ থেকে ম্যাচ উপভোগ করতে আসা অতিথি, সাংবাদিক ও দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
বালীগাঁও বিপিএল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যরা হলেন—মনোয়ার, মামুন, ফরহাদ, সুমন, রিকন, দীপু, মনি, জুলহাস, হাবিবুল্লাহ, আরিফ, রেজাউল ও সাফায়েত।








