ডেঙ্গু ঠেকাতে মাঠে রংপুর মহানগর যুবদল
সূত্রঃ সংগৃহীত
আনোয়ারুল ইসলাম রনি, রংপুর ব্যুরো
ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রংপুর মহানগরের ছয়টি মেট্রোপলিটন থানায় ধারাবাহিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মহানগর যুবদল।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রংপুর মহানগর যুবদলের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের অন্যতম হাতিয়ার’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১৭ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হবে।
ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে তাজহাট মেট্রোপলিটন থানা যুবদলের উদ্যোগে এবং বিকেলে মাহীগঞ্জ মেট্রোপলিটন থানা যুবদলের উদ্যোগে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানা যুবদল এবং বিকেলে পরশুরাম মেট্রোপলিটন থানা যুবদল পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করবে। ২০ সেপ্টেম্বর সকালে কোতোয়ালি মেট্রোপলিটন থানা যুবদল এবং বিকেলে হাজীরহাট মেট্রোপলিটন থানা যুবদলের উদ্যোগে একই ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
মহানগর যুবদল জানিয়েছে, কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে ডেঙ্গু সম্পর্কে নগরবাসীকে সচেতন করার পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা।
কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রংপুর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক নুরুন্নবী চৌধুরী মিলন, সদস্য সচিব আতিকুল ইসলাম লেলিন এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন।
রংপুর মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব আতিকুল ইসলাম লেলিন বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি নিজেদের আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। কোথাও পানি জমে থাকলে তা মশার প্রজননের সুযোগ তৈরি করে। তাই বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জনসাধারণের চলাচলের স্থানসহ নগরীর প্রতিটি এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে নাগরিকদেরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। রংপুর মহানগর যুবদল সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে চায়।’
নেতৃবৃন্দ বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাড়িঘর, আশপাশের এলাকা এবং নগরীর বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
তারা আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; নগরবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগেই একটি পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। এ লক্ষ্যেই মহানগরের ছয় থানায় ধারাবাহিকভাবে সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এমকে/বিএম২৪









