সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে: মামুনুল হক
সূত্রঃ সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ক্ষমতার মসনদে বসে কেউ যদি জাতিকে ভুলপথে পরিচালিত করার চেষ্টা করে, তাহলে তাকে টেনে নামাতে আমাদের হাত এক চুলও কাঁপবে না।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য এ লংমার্চের আয়োজন করে।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে ঘোষিত লংমার্চে কোনো বাধা এলে তা মোকাবিলা করেই গন্তব্যে পৌঁছানো হবে। জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, এ লংমার্চ আপামর জনতার। সরকার বাধা দিলে সব প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে চট্টগ্রামে পৌঁছানো হবে। একই সঙ্গে ১১ দলের ছয় দফা দাবি এক দফায় রূপ নেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে ব্যর্থ হয়েছে। দিন দিন মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিও ভঙ্গ করেছে। সরকারকে সংসদে ভুল স্বীকার করে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, গত ছয় মাসে বিএনপি সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য বলতে দেড়শ টাকার লাঞ্চের গল্প ও ৫০ হাজার ফ্যামিলি কার্ড ছাড়া আর কিছু নেই।
তিনি আরও বলেন, ৩১ দফার স্বপ্ন দেখানো এবং জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা দলের কর্মকাণ্ডে মানুষ ইতোমধ্যে হতাশ হতে শুরু করেছে। যারা গণভোটের রায় মানে না, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে দাম বাড়ায় এবং দলীয়করণ না করার কথা বলে ব্যাপক দলীয়করণ করে, জনগণ কীভাবে তাদের বিশ্বাস করবে—এ প্রশ্ন রাখেন তিনি।
সমাবেশ শেষে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে লংমার্চটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে। পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা করার কথা রয়েছে।
এমকে/বিএম২৪









