ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলেই শান্তির সংস্কৃতি সম্ভব : আইরিন খান
সূত্রঃ সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান বলেছেন, সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব। একই সঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বৈশ্বিক উদ্যোগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় নারীর নেতৃত্ব জোরদারে তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন আইরিন খান।
তিনি বলেন, শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
এ ছাড়া সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি ও শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। এমনকি নারীদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও তাদের প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়।
শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন আইরিন খান। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়সহ দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।
এমকে/বিএম২৪









