২৪ জনের মধ্যে ২৩ শিক্ষককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিল ববি

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
২৪ জনের মধ্যে ২৩ শিক্ষককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিল ববি

সূত্রঃ সংগৃহীত

ববি প্রতিনিধি


আন্দোলন-সংগ্রামের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ২৪ জন সহযোগী অধ্যাপকের মধ্যে ২৩ জনকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। রোববার পদোন্নতির চিঠি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা নিজ নিজ পদে যোগদান করেছেন।


বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন সময়ে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আপত্তির কারণে দীর্ঘদিন পদোন্নতি প্রক্রিয়া আটকে ছিল। পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়ে শিক্ষকরা অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। একপর্যায়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫তম সিন্ডিকেট সভায় পদোন্নতির নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। সেই নীতিমালা অনুযায়ী ২৩ শিক্ষককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।


পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন—অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক, মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. জামাল উদ্দীন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. সাদেকুর রহমান ও ড. তারেক মাহমুদ আবীর, লোক প্রশাসন বিভাগের ড. ইসরাত জাহান, কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ড. হাফিজ আশরাফুল হক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ড. সুব্রত কুমার দাস, ইতিহাস বিভাগের ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ড. ধীমান কুমার রায়, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল, রসায়ন বিভাগের ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম, ড. মো. নাজমুল কায়েস ও ড. মো. মাসুদ পারভেজ।


এ ছাড়া গণিত বিভাগের ড. মো. শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা ও ড. হেনা রানী বিশ্বাস, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড. আজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী এবং ড. মো. আলমগীর মোল্লাও অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।


তবে তালিকায় থাকা মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল কাইউমকে এবার পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। তার বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।


এ বিষয়ে জানতে ড. আব্দুল কাইউমকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।


বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মামুন অর রশিদ বলেন, সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। কতজনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সঠিক সংখ্যা তিনি জানেন না। বিষয়টি রেজিস্ট্রার ভালো বলতে পারবেন।


তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আব্দুল আলিম বশিরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।


পদোন্নতি পেয়ে যোগদান করা এক শিক্ষক বলেন, ‘রোববার পদোন্নতির চিঠি পেয়েছি। এরপরই নতুন পদে যোগদান করেছি।’


এমকে/বিডিমেইল২৪