সাভারে রাস্তা থেকে জাবি ছাত্রকে অপহরণের অভিযোগ, বিকাশে ৭ হাজার টাকা নিয়ে মুক্তি

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৯ পিএম
সাভারে রাস্তা থেকে জাবি ছাত্রকে অপহরণের অভিযোগ, বিকাশে ৭ হাজার টাকা নিয়ে মুক্তি

সূত্রঃ সংগৃহীত

ফাহমিদা হৃদী, স্টাফ রিপোর্টার


সাভারের পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় জরুরি ফোন করার কথা বলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীর মুঠোফোন নেওয়ার পর তাকে অজ্ঞান করে অপহরণ ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে পলাশবাড়ী এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে গিয়ে মারধর এবং বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।


বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী রাশিদুল ইসলাম রুশো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ৪৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী।


ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, টিউশনে যাওয়ার পথে সাভারের পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় এক ব্যক্তি জরুরি ফোন করার কথা বলে তার কাছে মুঠোফোন চান। সরল বিশ্বাসে ফোনটি দেওয়ার পর ওই ব্যক্তি কিছুটা দূরে সরে যান। এ সময় আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করা আরও কয়েকজন তার সঙ্গে যোগ দেন বলে অভিযোগ করেন রুশো।


পরে একটি স্প্রে ব্যবহার করে তাকে অজ্ঞান করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরপর তাকে পলাশবাড়ী এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে চড়-থাপ্পড়সহ শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং তার মুঠোফোন, মানিব্যাগ ও হাতঘড়ি নিয়ে নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।


একপর্যায়ে তার কাছে বিকাশের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন রুশো। পরে এক বন্ধুর কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৭ হাজার টাকা নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।


রুশো বলেন, ‘আমার মুঠোফোনটি ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলে তারা আমাকে হুমকি দেয়। বলে, বেশি বাড়াবাড়ি করলে আরেক গ্রুপের কাছে পাঠিয়ে দেবে। তখন আরও ঝামেলায় পড়তে হবে।’


এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি কিংবা সংঘবদ্ধ কোনো চক্র জড়িত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগী। একই সঙ্গে পল্লীবিদ্যুৎ ও আশপাশের এলাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।


তবে এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত প্রয়োজন।


এমকে/বিডিমেইল২৪