মধ্যরাতের টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
মধ্যরাতের টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

সূত্রঃ বিডি মেইল

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি


খাগড়াছড়িতে মধ্যরাতে কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে মোহাম্মদপুর, শালবনসহ জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। হঠাৎ বৃষ্টির পানিতে সড়ক ও আশপাশের নিচু এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে চেঙ্গী নদীর পানি বেড়ে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলেও পানি ঢুকে পড়েছে বলে জানা গেছে।


স্থানীয়রা জানান, বুধবার মধ্যরাতে শুরু হওয়া কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ি শহরের মোহাম্মদপুর, শালবনসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি জমে যায়। কোথাও কোথাও বসতবাড়ির আঙিনা ও চলাচলের সড়কে পানি ওঠায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। রাতের বৃষ্টিতে হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারকে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।


এদিকে, বৃষ্টির কারণে চেঙ্গী নদীর পানিও দ্রুত বেড়েছে। এতে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নদীর কাছাকাছি নিচু এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে পানিবন্দি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


স্থানীয়দের ভাষ্য, গত এক মাসে খাগড়াছড়িতে একাধিকবার ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বারবার পানি ওঠায় শত শত পরিবারকে নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এতে বসতবাড়ি, চলাচলের পথ ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে প্রভাব পড়ছে।


বাসিন্দাদের অভিযোগ, পানি দ্রুত নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় স্বল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিতেও শহরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে চেঙ্গী নদীর পানি বাড়লে নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। বৃষ্টিপাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পরিবারগুলোকে সহায়তায় স্থানীয় প্রশাসন কাজ করছে বলে জানা গেছে।


স্থানীয়রা জলাবদ্ধতা ও বন্যার পানি দ্রুত নিষ্কাশনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি চেঙ্গী নদীর তীরবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর জন্য স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, বর্ষা মৌসুমে বারবার একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করা, নালা-নর্দমা সংস্কার এবং নদীতীরবর্তী এলাকার ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।