সিংগাইরে বদলি আটকে চেয়ার দখলে রাখলেন প্রকৌশলী
সোহরাব হোসেন, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার সেই বিতর্কিত ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়ার অফিসিয়ালি বদলির অর্ডার হলেও দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে ৩ সপ্তাহ পর তদবির করে বদলি আটকে চেয়ার দখলে রেখেছেন বলে জানা গেছে।
রোববার ( ১৯ এপ্রিল)দুপুরে ওই ইঞ্জিনিয়ারের বদলির স্থগিতাদেশ নিশ্চিত করেন ওই অফিসের একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলী। তিনি বলেন, বদলির আদেশ স্থগিত হওয়ায় এ অফিসে যোগদান করতে আসা ইঞ্জিনিয়ার গোলাম সামদানী চার্জ বুঝে পাচ্ছেন না।
এর আগে ২৯ মার্চ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়ার বদলির অর্ডার হয়। তার স্থলে মানিকগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলী অফিসের(এলজিইডি)সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে অফিসে যোগদান করতে আসেন নতুন ইঞ্জিনিয়ার গোলাম সামদানী। দীর্ঘ ২২ দিন আশরাফুল ভূইয়া নিজের প্রমোশনসহ বিভিন্ন অজুহাতে তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখেন। এ নিয়ে ১৫ এপ্রিল বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলেও টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের।এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্য করেন এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। জেলা বিএনপি'র আহব্বায়ক কমিটির সদস্য সাবেক কাউন্সিলর মো. আলাউদ্দিন তার মন্তব্য লিখেন- আশরাফুল ইসলাম প্রকৌশলীই নয় উচ্চমানের ঠিকাদারও বটে। বেনামী লাইসেন্সের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে সিংগাইর উপজেলার টাকা। তবে, অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, জুন ক্লোজিংয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের ঠিকাদারদের বিল-ভাউচার পাস হয়। সেখানে ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের একটা ভাগ থাকে। সে লক্ষ্যেই মূলত চেয়ার ছাড়তে নারাজ আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি আদা- জল খেয়ে তদবির করে স্থগিত করেন বদলির আদেশ। তার তদবিরের মাধ্যমে জোর করে এ স্টেশনে থাকা নিয়ে এলাকায় বইছে সমালোচনার ঝড়।
এদিকে,সর্বশেষ মন্তব্য জানতে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়াকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলায় যোগদান করতে আসা ইঞ্জিনিয়ার গোলাম সামদানী বলেন,ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়ার বদলির আদেশ ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত হওয়ায় চার্জ বুঝে নিতে পারছি না। পহেলা জুলাই থেকে দায়িত্ব বুঝে নিয়ে কাজ শুরু করবো।









