চবিতে উদ্বাস্তু সুরক্ষা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন, অংশ নেবেন দেশ বিদেশের গবেষকরা
আহমেদ মুনহা, চবি প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উদ্বাস্তু সুরক্ষা ও শরণার্থী আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন।
চবি আইন বিভাগ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) Higher Education Acceleration and Transformation (HEAT) Project-এর আওতায় এবং Bangladesh Centre for Refugee Law Studies (BCRLS)-এর সহযোগিতায় ‘International Conference on Evolving Refugee Protection Architectures in South Asia 2026 (ICERPASA)’ শীর্ষক এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
আগামী ২৭ জুন শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি উদ্বোধন হবে।
আজ বৃহস্পতিবার(২৫ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠানের বিস্তারিত তুলে ধরেন আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রকিবা নবী।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নির্মল কুমার সাহা, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, অধ্যাপক ড. আসমা বিনতে শফিক ও একই বিভাগের প্রভাষক রাশফিয়াতুর রাশপি।
লিখিত বক্তব্যে ড. রকিবা নবী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় উদ্বাস্তু সুরক্ষা, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক শরণার্থী আইন বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের একাডেমিক ও নীতিগত সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এ সম্মেলন ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে উদ্বাস্তু ও শরণার্থী বিষয়ক গবেষণায় বাংলাদেশকে আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও এটি অবদান রাখবে।
সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিক্ষাবিদ, গবেষক, বিচারক, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী, নীতিনির্ধারক, উন্নয়নকর্মী, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং তরুণ গবেষকেরা অংশ নেবেন। তাঁরা দক্ষিণ এশিয়ায় উদ্বাস্তু সুরক্ষার পরিবর্তনশীল কাঠামো, মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক শরণার্থী আইন, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করবেন।
আয়োজকেরা জানান, সম্মেলনের জন্য দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও পেশাজীবী মহল থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। ২০০টির বেশি গবেষণা-সারসংক্ষেপ জমা পড়ে। এর মধ্যে কঠোর একাডেমিক মূল্যায়নের মাধ্যমে ৬৫টি গবেষণাপত্র ও ২৩টি গবেষণা-পোস্টার উপস্থাপনার জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
সম্মেলনে ১০টি থিম্যাটিক সেশনে শরণার্থী মর্যাদা নির্ধারণ, রাষ্ট্রহীনতা, উদ্বাস্তু শিবিরে জবাবদিহিতা ও ফৌজদারি বিচার, নারী ও শিশুর সুরক্ষা, মানবিক সহায়তা, নন-রিফাউলমেন্ট নীতি, ডিজিটাল পরিচয় ও তথ্য সুরক্ষাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হবে।








