গাজায় ১০ টাকার লাইটার ৫ হাজার, ফ্যান ৫০ হাজার
সূত্রঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গাজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সাধারণ পণ্যও এখন মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। যে লাইটারের দাম স্বাভাবিক সময়ে মাত্র ১০ টাকার মতো, সেটিই সেখানে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার টাকায়। আর একটি পুরোনো বা ভাঙাচোরা বৈদ্যুতিক ফ্যানের দাম উঠেছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে গাজায় একটি লাইটারের দাম প্রায় ১২০ শেকেল, যা প্রায় ৪০ মার্কিন ডলারের সমান। রান্নার গ্যাসের সংকট থাকায় অনেক পরিবার কাঠ বা কাগজ পুড়িয়ে রান্না করছে। এ কারণে আগুন জ্বালানোর জন্য লাইটারও সেখানে অত্যন্ত জরুরি পণ্যে পরিণত হয়েছে।
এদিকে গ্রীষ্মের তীব্র গরমে তাবুতে থাকা মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। নতুন ফ্যান বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। পুরোনো কিংবা নষ্ট ফ্যানও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে অনেক বাবা-মা কাগজের টুকরো দিয়ে সন্তানদের বাতাস করছেন কিংবা শরীরে পানি ছিটিয়ে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় কারিগরদের ভাষ্য, গত কয়েক বছর ধরে গাজায় নতুন ফ্যানের মোটর ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ প্রবেশের সুযোগ নেই। ফ্যান মেরামতের কারিগর মোহাম্মদ আবু আলওয়ান জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে পুরোনো ফ্যান উদ্ধার করে সেগুলো জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখার চেষ্টা করছেন তারা।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েল গাজায় খাদ্য ও বাণিজ্যিক পণ্য প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। এর প্রভাবেই প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এমকে/বিএম২৪








