সিপাহী বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবসে ইবি প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৫, ১০:১৯ পিএম
সিপাহী বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবসে ইবি প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

ইবি প্রতিনিধি:

মহান সিপাহী বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) জুমার নামাজের পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা।

শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর-সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জিয়া পরিষদ, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ও শাখা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘আজ মহান সিপাহী বিপ্লব ও জাতীয় সংহতি দিবস। ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী এবং আওয়ামী অত্যাচারের বিরুদ্ধে তৎকালীন সিপাহীরা জিয়ার প্রতি আস্থা রেখেছিল। তিনি জনগণের আকাঙ্ক্ষায় রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছিলেন, আপামর জনতাই তাকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। রাষ্ট্রনায়ক জিয়া দেখেছিলেন বিভক্তির মাধ্যমে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব না। সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতিকে সাংগঠনিকভাবে আদর্শিকভাবে বিভক্ত করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেই তিনি চতুর্থ সংশোধনী বিলুপ্ত করেন। তিনি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এবং ইসলামী মূল্যবোধ তৈরি করেছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিনি সংবিধানের ৫ম সংশোধনী করে বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম যুক্ত করে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সবাই বাংলাদেশী জনগোষ্ঠী। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন।’

উপাচার্য বলেন, ‘তিনি জীবিত নেই কিন্তু তার আদর্শ বেঁচে আছে। তিনি শুধু আজকের দিনের জন্য আদর্শ নয়, বরং তিনি ফ্যাসিস্ট রেজিমের বাইরে সকল রাজনৈতিক সংগঠনের জন্য এক অভিন্ন চরিত্র। তিনিই ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ঘটাতে স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার রেখে যাওয়া স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে।