যুবসমাজকে মাদকমুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: অর্ণব

প্রকাশিত: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
যুবসমাজকে মাদকমুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: অর্ণব

মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি :

যুবসমাজকে মাদকমুক্ত, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন আশ্চর্য ইনোভেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অর্ণব ওয়ারেস খান।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে না; এটি তরুণদের মধ্যে সৌহার্দ্য, শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলে। তাদের আয়োজিত ফুটবল ম্যাচকে এ মূল্যবোধের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, খেলার মাঠে তরুণদের উদ্দীপনা ও অংশগ্রহণ তাকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। খেলাধুলার প্রতি এই অনুরাগ ও সমর্থন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত ও সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অর্ণব ওয়ারেস খান বলেন, তাদের লক্ষ্য কেবল খেলাধুলার আয়োজন নয়; বরং বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে তিনি জাতির বিভিন্ন ঐতিহাসিক নেতার আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিবৃতিতে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ জিয়াউর রহমান, মওলানা ভাসানী, তাজউদ্দীন আহমদ এবং কমরেড মনি সিংয়ের আদর্শকে বাঙালির পথচলার প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, তরুণদের শারীরিক ফিটনেস বজায় রাখা, নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা, খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়া, বড়দের সম্মান করা, ছোটদের স্নেহ করা এবং সকলের প্রতি আন্তরিকতা ও ভালোবাসার মনোভাব গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

বিবৃতিতে অর্ণব ওয়ারেস খান বলেন, সব ভেদাভেদ ভুলে সুস্থ মানসিকতা নিয়ে তরুণরাই বাংলাদেশকে একটি স্মার্ট ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দেশ একটি সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রে পরিণত হবে, যেখানে বিদ্বেষের পরিবর্তে সম্প্রীতি ও উন্নয়নের চেতনা প্রতিষ্ঠিত হবে।

বিবৃতির শেষাংশে তিনি "জয় বাংলা", "বাংলাদেশ জিন্দাবাদ" এবং "রাজাকার পাকিস্তান মুর্দাবাদ" স্লোগান উচ্চারণ করেন।

অর্ণব ওয়ারেস খান আশ্চর্য ইনোভেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (Managing Director) এবং ফোসান হুয়াফেং টেক্সটাইল কোং লিমিটেড/গ্লোবাল সেঞ্চুরি (এইচ.কে.) লিমিটেডের মার্কেটিং কনসালটেন্ট (Marketing Consultant) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।