শেখ হাসিনার আসন গোপালগঞ্জ-৩ থেকে নির্বাচন করতে চান হিরো আলম

প্রকাশিত: ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৬ পিএম
শেখ হাসিনার আসন গোপালগঞ্জ-৩ থেকে নির্বাচন করতে চান হিরো আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আলোচিত-সমালোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায়। ঢাকার ১৭ নম্বর আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই এবার তিনি জানালেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকেও নির্বাচনে অংশ নিতে চান।শেখ হাসিনার আসন গোপালগঞ্জ-৩ থেকে নির্বাচন করতে চান হিরো আলম নিজস্ব প্রতিবেদক:

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) নিজের সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে হিরো আলম লেখেন,

> “জনগণ সাহস দিলে গোপালগঞ্জ শেখ হাসিনার আসনে নির্বাচন করতে চাই। কি গোপালগঞ্জের লোক ভোট দেবেন তো?”

হিরো আলম বলেন, তার রাজনীতি করার মূল লক্ষ্য জনগণের সেবা করা। তিনি বিশ্বাস করেন, “গোপালগঞ্জের মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসা ও সমর্থন দেন, তাহলে আমি পরিবর্তনের বার্তা দিতে পারব।

একসঙ্গে তিন আসনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা:

এর আগে হিরো আলম ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকেও প্রার্থী হবেন। কেন একাধিক আসনে নির্বাচন করতে চান জানতে চাইলে তিনি বলেন,

> “এর আগেও আমি দুই আসনে নির্বাচন করেছি। এই আসনগুলোর মানুষের সঙ্গে আমার আলাদা সম্পর্ক আছে। কাল যখন ঢাকায় নির্বাচনের ঘোষণা দিলাম, তখন অনেকে আমাকে কল দিয়ে উৎসাহ দিয়েছেন। তখন ভাবলাম, জনগণ যদি চায় আমি নির্বাচন করি— তাহলে কেন না একাধিক আসন থেকেই করি!”

তিনি আরও বলেন, অনেক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার যোগাযোগ চলছে। “ব্যাটে-বলে মিললে কোনো দলে যাবো, না মিললে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই মাঠে থাকবো,” জানান হিরো আলম।

সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীরা:

ঢাকা-১৭ আসনে হিরো আলমের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বেশ কিছু শক্তিশালী প্রার্থীর সঙ্গে। এর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ, এনসিপিসহ আরও কয়েকটি দলের প্রার্থীও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

অন্যদিকে, বগুড়া-৪ আসনে বিএনপি মোশারফ হোসেনকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। সেখানেও একাধিক দলের প্রার্থী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হিরো আলম জানিয়েছেন, সেখানে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন..

হিরো আলমের রাজনৈতিক যাত্রা:

হিরো আলম প্রথম আলোচনায় আসেন ইউটিউব ও সামাজিকমাধ্যমে তৈরি তার নাটক ও মিউজিক ভিডিওর মাধ্যমে। এরপর একাধিক উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে ভোটের রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দেন। তিনি এর আগে বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

হিরো আলমের দাবি, “আমি কোনো দলের বিরুদ্ধে নই, আমি জনগণের পাশে থাকতে চাই। রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতা নয়, এটা সেবার একটি মাধ্যম।”