পরকীয়া প্রেম নিয়ে কলহ: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন
ইব্রাহিম হোসেন সম্রাট, রাজশাহী ব্যুরো:
পরকীয়া প্রেমকে কেন্দ্র করে পারিবারিক কলহের এক সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী মুন্না পরিবার। শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগরীর সাগরপাড়ার নিজ বাসভবনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে পরিবারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন অভিযুক্ত আক্তার আলীর স্ত্রী, ছেলে মুন্না এবং দুই মেয়ে জেসামিন ও আঞ্জু।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্তের স্ত্রী দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরকীয়া করে আসছেন। বর্তমানে তিনি এক সন্তানের জননী এক নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত। সম্প্রতি ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে মেনে নেওয়ার জন্য স্বামী পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে অশান্তির সূত্রপাত হয়। স্ত্রী বলেন, “আমি, ছেলে বা মেয়ে কেউই তাকে দ্বিতীয় বউ মানতে রাজি নই। সম্প্রতি আবার প্রেমিকাকে বিয়ের প্রসঙ্গ তুলে ঝগড়া বাধে। ছেলের বউ বাধা দিলে তিনি আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।”
ছেলে মুন্না অভিযোগ করেন, “৫৫-৬০ বছর বয়সে বাবার ওই নারীকে বিয়ে করার কোনো মানে হয় না। আমরা কখনোই তা মেনে নেব না। অথচ এ নিয়েই প্রায়ই কলহ লাগে।” মারধরের অভিযোগ প্রসঙ্গে মুন্না বলেন, “যেদিন মারধরের কথা বলা হচ্ছে, আমি বাইরে ছিলাম, বোনও ছিল না। মা ফোন করলে আমরা বাড়ি আসি। বাবা পরে পুলিশ নিয়ে আসেন এবং আমাদের ওপর অমানবিক আচরণ করানো হয়। বাবা যে বলেছেন আমরা তাকে মারধর করেছি, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ এসে সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই তাদের গালিগালাজ ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এক বোন আঞ্জু দেখে পুলিশকে ইঙ্গিত করে বলা হয়, “ঐ যে আসামি পালাচ্ছে, ধরেন!” এ ঘটনা পরিবারের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর বলে জানান মুন্না।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারটি স্পষ্ট করে জানায়, পরকীয়া প্রেমিকাকে মেনে না নেওয়ার কারণেই তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, কলহ হয়েছে কিন্তু মারধরের ঘটনা ঘটেনি। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন এবং পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়েছেন।








