রিপোর্টার থেকে চ্যানেল মালিক—অর্থের উৎস কোথায়? প্রশ্ন তুললেন ডা. রাকিব আল হাসান

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর ২০২৫, ১২:১১ পিএম
রিপোর্টার থেকে চ্যানেল মালিক—অর্থের উৎস কোথায়? প্রশ্ন তুললেন ডা. রাকিব আল হাসান

স্টাফ রিপোর্টার:

ইয়ুথ লিডার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. রাকিব আল হাসান বলেছেন, “একজন ‘এনসিপি’র নেতা, একজন ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র নেতা—তারা হঠাৎ করে টিভির রিপোর্টার থেকে এখন চ্যানেলের মালিক হয়ে গেলেন। এটি কীভাবে সম্ভব, এই অর্থের জোগান কোথা থেকে আসছে, তা খতিয়ে দেখা দরকার।”

সম্প্রতি একটি টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “আমি এখন একটা টিভি চ্যানেলে বসে আছি। আপনি একজন রিপোর্টার, আপনি সংবাদ পাঠ করেন—আপনি ভালো করেই জানেন, একটি টেলিভিশন চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করতে কত বড় অঙ্কের ইনভেস্টমেন্ট লাগে। সেখানে একজন রিপোর্টার রাতারাতি চ্যানেলের মালিক হয়ে গেলেন! এটা তো সেই পুরনো বন্দোবস্তেরই ধারাবাহিকতা। নতুন বন্দোবস্তে আমরা যেতে পারলাম না।”

তিনি আরও বলেন, “যখন আপনি আবার ক্ষমতার চর্চা করবেন, আবার রাজনৈতিক দল গঠন করবেন, আবার বিরোধিতা করবেন—তখন আসলে একটি জগাখিচুড়ি অবস্থাই তৈরি হবে। সেই অবস্থার মধ্যেই এনসিপি এখন রয়েছে।”

ডা. রাকিবের মতে, “যদি এনসিপি পুরোপুরি মেইনস্ট্রিম রাজনীতিতে কাজ করত এবং রাজনৈতিক ফোকাস ধরে রাখত, তাহলে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারত।”

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এই অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে মোটা দাগে কারও বিরুদ্ধে বড় কোনো আর্থিক অভিযোগ ওঠেনি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তারা অপেক্ষাকৃত তরুণ উপদেষ্টা। যেমন—আসিফ মাহমুদের এপিএসের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে, কিন্তু আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অভিযোগ আসেনি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “হাসিনার আমলেও আমরা একই ধরণের ট্রেন্ড দেখেছি—তার পিয়ন কয়েক শ’ কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে, কিন্তু মনিবের অবস্থান অক্ষুণ্ণ থেকেছে। যদি আমরা সত্যিকারের নতুন বন্দোবস্ত চাই, তাহলে সেখানে অভিযোগের জায়গা থাকতে হবে। নইলে নতুন বন্দোবস্ত বাস্তবে প্রতিষ্ঠা পাবে না।”