জাতীয় পার্টির ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে খাস জমি দখল ও উচ্ছেদের অভিযোগ

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:১৫ পিএম
জাতীয় পার্টির ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে খাস জমি দখল ও উচ্ছেদের অভিযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর মৌজায় খাস খতিয়ানের সরকারি জমি দখল, উচ্ছেদ ও নামজারির অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান সম্প্রতি কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন ও তার সহযোগী নূর হক সরদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণনগর মৌজার ১৪২১ খতিয়ানের ২০৭৯ দাগের ১১ শতক জমি সরকারি (১/১ খাস) খতিয়ানের আওতাভুক্ত। কিন্তু জালিয়াতির মাধ্যমে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে বিভ্রান্ত করে প্রথমে শ্যামলী রানীর নামে উক্ত জমির নামজারি করা হয়। পরে সেটি বাতিল হলেও একই জমি পুনরায় সীতা রানীর নামে নামজারি করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন ও তার সহযোগী নূর হক সরদার। তারা কৌশলে বৃদ্ধা সীতা রানীকে প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তার নামে খাস জমির কবলা দলিল তৈরি করান। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান তার প্রভাব খাটিয়ে সীতা রানীকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে জমি ও সম্পত্তি দখল করেন। এমনকি অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, উচ্ছেদের পর ওই বৃদ্ধাকে আটক রেখে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

বর্তমানে অভিযুক্তরা উক্ত খাস জমিটি নিজেদের নামে নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে প্রভাব খাটাচ্ছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়। অথচ উক্ত ১১ শতক জমি সরকারি খাস খতিয়ানের রাস্তার আওতাভুক্ত, যা ব্যক্তিমালিকানায় নামজারি বা কবলা হওয়া আইনত অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য।

মিজানুর রহমান তার আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন,

অসহায় এক বৃদ্ধার আশ্রয় কেড়ে নেওয়া মানবিক ও আইনি উভয় দিক থেকেই অন্যায়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।