সখিপুরে মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রমে স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন, মাসজুড়ে নানা উদ্যোগ
সূত্রঃ সংগৃহীত
রবিউল মোল্লা, শরীয়তপুর প্রতিনিধি
“মানবতার ফেরিওয়ালা”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে শরীয়তপুরের সখিপুরে সামাজিক ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া খাতেও বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে সংগঠনটি।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন খাতে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে একাধিক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়ন, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তা, পথশিশুদের খাবার বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা এবং যুবসমাজের জন্য ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ উল্লেখযোগ্য।
চলতি মাসে ধর্মীয় উপাসনালয় ও অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার বাড়ি দারুস সালাম মসজিদে মাইক ক্রয়ে ২০ হাজার টাকা, খান বাড়ি জামে মসজিদে আইপিএস স্থাপনে ৩০ হাজার টাকা, নৈমুদ্দীন সরকার কান্দি মসজিদে আইপিএস স্থাপনে ৩০ হাজার টাকা** এবং হাজী মঙ্গল সরকার পুরাতন বাড়ি আলনুর জামে মসজিদে আইপিএস স্থাপনে ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া স্থানীয় কবরস্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ১২ হাজার টাকা এবং সখিপুর কেন্দ্রীয় মসজিদে ইসলামিক বই সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে ৪ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
শিক্ষা ও পথশিশুদের সহায়তায় অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে বেতন পরিশোধ বাবদ *২২ হাজার টাকা* এবং পথশিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণে ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবার আওতায় অসহায় ও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ে ৯ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে জার্সি বিতরণে ৪ হাজার টাকা এবং তরুণদের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণে ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশনের সাবেক সভাপতি ইরাম সরদার বলেন, “মানবতার সেবায়, মানুষের পাশে”—এই অঙ্গীকার নিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যেই এসব সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে শিক্ষা, চিকিৎসা ও ক্রীড়াক্ষেত্রে স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশনের এসব উদ্যোগ সখিপুর ও আশপাশের এলাকায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। সংগঠনটির ধারাবাহিক মানবিক কর্মকাণ্ড স্থানীয় মানুষের মধ্যেও প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এমকে/বিএম২৪









