প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটক-পুণ্যার্থীদের ঢল

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম
প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটক-পুণ্যার্থীদের ঢল

ছবি: বিডি মেইল

নুরুল আমিন হেলালী, কক্সবাজার প্রতিনিধি


শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন ও টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নেমেছে পর্যটক ও পুণ্যার্থীদের ঢল। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে সৈকতের লাবণী পয়েন্টসহ কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্টে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়।


দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমার ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কক্সবাজারে এসেছেন পর্যটকেরা। কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সৈকতে সময় কাটিয়েছেন, কেউবা উপভোগ করেছেন সমুদ্রের ঢেউ। পাশাপাশি মেরিন ড্রাইভসহ আশপাশের দর্শনীয় স্থানগুলোতেও পর্যটকদের উপস্থিতি দেখা গেছে।


পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতিতে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। সারমম হোটেলের ব্যবস্থাপক জিয়াউল হক আকাশ জানান, ছুটিকে কেন্দ্র করে হোটেলগুলোতে কক্ষ বুকিংয়ের হার সন্তোষজনক। হোটেল মালিক ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের দাবি, গত কয়েক দিন অধিকাংশ আবাসিক হোটেলের প্রায় ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং ছিল।


তবে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন একটি রিসোর্টে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর কিছু পর্যটকের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাঁদের কেউ কেউ নির্জন কটেজের পরিবর্তে শহরের মূল এলাকার হোটেলে থাকার আগ্রহ দেখাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


এদিকে প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সৈকতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিচকর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেন।


প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে লাবণী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে সকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিকেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। এ সময় কক্সবাজারের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।