পরীক্ষার খাতায় ‘কোডিং পদ্ধতি’ চালু করতে যাচ্ছে যবিপ্রবি

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
পরীক্ষার খাতায় ‘কোডিং পদ্ধতি’ চালু করতে যাচ্ছে যবিপ্রবি

সূত্রঃ সংগৃহীত

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: সাকিবুল ইসলাম


পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) চালু হতে যাচ্ছে ‘কোডিং পদ্ধতি’। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীর রোল নম্বর বা পরিচয় গোপন রেখে বিশেষ কোডের মাধ্যমে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করবেন পরীক্ষকরা।


রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৬৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং পদ্ধতি’ চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। পরীক্ষক ও শিক্ষার্থীর পূর্বপরিচয় কিংবা ব্যক্তিগত ধারণার কারণে মূল্যায়নে প্রভাব পড়ার যে সম্ভাবনা থাকে, কোডিং পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে তা বন্ধ করা সম্ভব হবে।


তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীর যোগ্যতার প্রকৃত প্রতিফলন তার অর্জিত নম্বরে হওয়া উচিত। কোডিং ব্যবস্থায় পরীক্ষক শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বর না জেনেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন পাবে এবং একাডেমিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাদের আস্থা আরও বাড়বে।


উপাচার্য আরও জানান, আসন্ন সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষাগুলো থেকেই পর্যায়ক্রমে এ পদ্ধতি কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়কে আধুনিক ও বৈষম্যহীন শিক্ষাঙ্গন হিসেবে গড়ে তুলতে ধাপে ধাপে আরও প্রযুক্তিবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হবে।


যবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শৃঙ্খলা ও খাতা মূল্যায়নের গুণগত মান উন্নত করতে কোডিং পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পরীক্ষাব্যবস্থাকে যেকোনো ধরনের বিতর্ক ও সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য, যাতে কোনো শিক্ষার্থী বৈষম্যের শিকার হওয়ার আশঙ্কা না করে।


তিনি বলেন, শিক্ষার্থীবান্ধব, আধুনিক ও জবাবদিহিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


এমকে/বিএম২৪