কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ উদ্ধার, মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ উদ্ধার, মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন

সূত্রঃ সংগৃহীত

ফাহমিদা হৃদী, স্টাফ রিপোর্টার


কুমিল্লার কোটবাড়ী এলাকা থেকে নিখোঁজ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকা থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।


মরদেহ উদ্ধারের সময় অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি সে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তার ফোনের লোকেশন কুমিল্লার কোটবাড়ীর গন্ধমতি এলাকায় শনাক্ত করা গেলেও পরে ফোনটির অবস্থান আর পাওয়া যায়নি।


ছেলেকে না পেয়ে শুক্রবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে পরিবার। এরপর পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধানে খোঁজ শুরু করেন।


কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অপ্রতিম অটোরিকশায় করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আসে। সেখানে এক ছেলের সঙ্গে তাকে হাত মেলাতে এবং প্রায় এক ঘণ্টা কথা বলতে দেখা যায়। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ছেলেকে দেখা গেলেও তার পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।


পুলিশের দুটি দল অপ্রতিমের সন্ধানে কাজ করছিল বলে জানান ওসি। পরে শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


অপ্রতিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



এমকে/বিএম২৪