এক ট্রলারেই ৪৬ মণ ইলিশ, প্রায় অর্ধকোটি টাকায় বিক্রি
সূত্রঃ সংগৃহীত
জেলা প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ৪৬ মণ ইলিশ। নিলামে মাছগুলো বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। নিষেধাজ্ঞা শেষে একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ ও বড় আকারের ইলিশ পাওয়ায় খুশি জেলে ও ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে মাছভর্তি ট্রলারটি কুয়াকাটার মহিপুর মৎস্য বন্দরে পৌঁছায়। পরে বিকেলে মনোয়ারা ফিশ আড়তে নিলামের মাধ্যমে ইলিশগুলো বিক্রি করা হয়।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিনভর পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে এফবি জুনাইদ নামের মাছ ধরার ট্রলারে জেলে আলমগীর হোসেনের জালে ইলিশগুলো ধরা পড়ে।
এর মধ্যে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ২৪ মণ ইলিশ প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়। এতে পাওয়া যায় ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ২২ মণ ইলিশ প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয় ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকায়। সব মিলিয়ে ৪৬ মণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।
জেলে আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি ১৫ বছর ধরে সমুদ্রে মাছ ধরছেন। এর আগে ২০২১ সালের ১ আগস্ট একসঙ্গে ৩৫ মণ মাছ পেয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ বছর পর এবার আবারও একসঙ্গে এত বেশি ইলিশ পেয়েছেন তিনি।
আলমগীর বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দীর্ঘদিন লোকসানে ছিলেন তারা। এর মধ্যে এত ইলিশ পাওয়ায় তারা খুবই আনন্দিত।
মহিপুর মৎস্য বন্দরের নিশাত ফিশের আড়তদার শামীম বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে এটি বড় ইলিশের অন্যতম বড় চালান। সাধারণত একসঙ্গে এত বড় আকারের ইলিশ পাওয়া যায় না। বড় সাইজের ইলিশ পাওয়া গেলে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি জেলেরাও ভালো দাম পান।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে শুরুতে সাগরে ইলিশের সংকট ছিল। তবে বর্তমানে জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টিপাত কমে এলে সাগরে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এমকে/বিএম২৪








