সংগ্রামী জীবন যুদ্ধে তিন বিএনপি কর্মী কচি আরমান ও বীরবাজ
মালিকুজ্জামান কাকা :
নব্বই গণ আন্দোলন, আওয়ামীলীগ সরকার বিরাধী আন্দোলনকারীরা আজ জীবন যুদ্ধে লিপ্ত। তীব্র পরিশ্রম শেষে ক টাকা আয় করে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে এসব জাতীয়তাবাদী কর্মীরা। যশোর তেঁতুলতলা জাতীয়তাবাদী দুর্গের এসব সৈনিক আজ সমাজ ও জীবন যুদ্ধের স্পষ্ট প্রমান।
মামলা হামলায় বিপর্যস্ত এরা। সুদিনে কেউ তাদের খবর নেয় না। আন্দোলন, বিপ্লব ধারায় শুধুই রাজপথের জন্য যেন তারা। এই ধারার তিন জাতীয়তাবাদী চেতনার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কর্মী হচ্ছেন তরিকুল ইসলাম কচি, আরমান হোসেন ও হাবিবুর রহমান বীরবাজ।
প্রথমে তরিকুল ইসলাম কচি (৫১)। যশোর নগর ৫নং ওয়ার্ড যুবদল কমিটির সদস্য তিনি। তার পিতা মৃত শেখ মোহাম্মদ আলী ও মা নূরেমা খাতুন। দুজনেই মৃত। ডালমিলে কচির পৈতৃক বাড়ি।
বিএনপির তৃণমূলের কর্মী কচি জেল খেটে ২০০৭ সালে বের হয়। ১৯৯৭ সালে জেলে যায়। মাগুরপট্টির ষড়যন্ত্রমূলক শুকুর হত্যা মামলায়। ঘটনা স্থলে ছিল না। অভিযোগ রয়েছে আওয়ামীলীগ নেতা ময়েন উদ্দীনের ছেলে রাজু ব্যাক্তিগত শত্রুতায় কচিকে জড়িয়ে দেয়।
সে জেলে যেতেই প্রেমের স্ত্রী আবেদা চলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে।
জেল থেকে ২ ছেলে আশিক আবির, মেয়ে আয়নুর। মেয়ে বিয়ে হয়েছে।। মৎস শ্রনিক। বিএনপির রাজনীতি করায় অতীতে ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের আগে আরো চারটি হয়রানি মূলক মামলায় তাকে আর্থিক ও অন্যান্য ক্ষয় ক্ষতি মেনে নিতে হয়েছে। তবে ভয় না পেয়ে তিনি ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন ১৬ আনা। রাজধানী ঢাকা ও খুলনায় কর্মসূচিতে হাজির হন প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে।
আরমান হোসেন (৩৬)। তার জন্ম তেঁতুলতলা কেন্দ্রিক চোরমারা দীঘির দক্ষিণ পাড়ায়। হাঁটতে শেখার পর থেকে কাকার হাত ধরে বিএনপির মিছিল মিটিংয়ে যাত্রা শুরু। তখন শিশু কর্মী, এরপর যুব কর্মী, এখন বিএনপির ধারায় আছেন। ওয়ার্ড যুবদল কর্মী।
আরমানের পিতা মৃত সিরাজ হোসেন ও মা জবেদা খাতুন। চাঁচড়া বাজার মোড়ে আরমান চা স্টল ব্যবসা তার। ক্ষুদ্র ব্যাবসার সাথে সে মৎস শ্রমিক।
২০১৮ সালে বসত জমি বেদখল হওয়ায় চাঁচড়া মধ্যপাড়ায় বসবাস তার সপরিবারে। তার দুই ছেলে মেয়ে। ছেলে আপন ও মেয়ে মেজবাহ।
আরেক জন পরীক্ষিত বিএনপি কর্মী হাবিবুর রহমান বীরবাজ (৪৫)। সে ডালমিলের বাসিন্দা। মূলত: ডালমিলের তার দুলাভাই তৈমুর তাকে বিএনপির দুর্গ তেঁতুলতলায় অন্তর্ভুক্ত করে। তার পিতা মৃত আনোয়ার হক ও মা কুলসুম বেগম।
ছেলে শিমুল রহমান পার্থ (২১) ও মেয়ে ফাতেমা (৫) এবং স্ত্রী কে নিয়ে তার পরিবার এখনো ডালমিলে বসবাস করে। বীরবাজ এখন সি এন্ড জি থ্রি হুইলার দড়াটানা টু সাতমাইল রুটে চালায়।
প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন ১৯৯৫ সালে বিএনপির ক্যাডার তাই কাকা ও কচি কে আওয়ামীলীগকারীরা হক ফিসে আটকায়। ডাকাতি মামলায় চালান দিতে অপচেষ্টা চালালেও rlগুণী কৃতি রাষ্ট্রীয় পদকজয়ী মৎস ব্যাবসায়ী সাইফুজ্জামান মজু তাদের এ যাত্রায় ঢাল হয়ে মামলা থেকে রক্ষা করেন।
এই তিন বিএনপি কর্মী বলেন, দলের নেতারা তাদের খোঁজ খবর সে ভাবে নেন না। আঞ্চলিক নেতারা দায়সারাভাবে তাদের খোঁজ খবর মাঝে মধ্যে নিয়ে থাকেন। এর বাইরে বলার মত কিছু নেই। তবে জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে তারা বিএনপির রাজনীতির সাথে আছেন এটাই বড় কথা। এজন্য কারাবরণ, অন্যান্য হয়রানি হতে হয়েছে প্রায়।








