জাতির সঙ্গে বেইমানি করব না: কর্নেল অলি আহমদ

প্রকাশিত: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম
জাতির সঙ্গে বেইমানি করব না: কর্নেল অলি আহমদ

সূত্রঃ ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাষ্ট্রপতি পদে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, তারা কখনো জাতির সঙ্গে বেইমানি করবেন না।


রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বৈঠক শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।


অলি আহমদ বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে সমগ্র জাতি, জোটের নেতৃবৃন্দ এবং দলের নেতাকর্মীদের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের জায়গা থেকে এই জাতির সঙ্গে কখনো বেইমানি করব না।’


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে বড় বিষয় নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের পাশে থেকে তাদের স্বার্থ রক্ষা করাই মূল লক্ষ্য। সেই মানসিকতা থেকেই সবাই একত্রিত হয়েছেন এবং সর্বসম্মতিক্রমে তার নাম রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে।


নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অবস্থান তুলে ধরে অলি আহমদ বলেন, তিনি একজন পরীক্ষিত মুক্তিযোদ্ধা। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই। দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছভাবে জীবনযাপন করায় জোটের নেতারা সর্বসম্মতিক্রমে তাকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছেন।


বৈঠকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তাদের বিবেচনায় সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে পেরে তারা আনন্দিত।


তিনি বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে ১১ দল সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের বীর যোদ্ধা, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনার ধারক অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে।


মামুনুল হক আরও বলেন, ১১ দলের বাইরেও বিএনপিসহ দেশপ্রেমিক ও দেশের কল্যাণে বিশ্বাসী রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অলি আহমদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে স্বীকার করবেন বলে তারা আশা করেন। তিনি নির্বাচিত হলে আগামী বাংলাদেশকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দেবেন বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের কল্যাণের কথা বিবেচনা করেই রাষ্ট্রপতি পদে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। জাতির কল্যাণে তাদের প্রতিটি কাজ পরিচালিত হবে এবং এ বিষয়ে তারা কোনো আপস করবেন না।


তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য ও সুস্থতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীলভাবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজনীতি স্বচ্ছ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হওয়া প্রয়োজন। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের গতি ও সুস্বাস্থ্য ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।



এমকে/বিএম২৪