তাহসিফের কথিত বান্ধবী দিশা গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

প্রকাশিত: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
তাহসিফের কথিত বান্ধবী দিশা গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক


বিমানবাহিনীর চাকরিচ্যুত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় জেরিকা তাসনীম দিশা (১৯) নামে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


রোববার (১ নভেম্বর) বেলা ২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন।


তিনি বলেন, দিশা নামে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ঘটনার রাতে সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফ, দীপ ও দিশা নামে ওই তরুণীকে উত্তরার নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।


সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ওই রেস্টুরেন্টে পৌঁছান তাহসিফ, দীপ ও দিশা। তাঁরা মোটরসাইকেলে সেখানে যান। পরে আরেকটি মোটরসাইকেলে দীপ সেখানে পৌঁছান। এরপর তিনজনকে একসঙ্গে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করতে দেখা যায়।


রেস্টুরেন্টের আরেকটি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, তাহসিফ ও দিশা লিফটের সামনে অপেক্ষা করছেন। কিছুক্ষণ পর হেলমেট পরা অবস্থায় সেখানে পৌঁছান দীপ। পরে তিনজন একসঙ্গে লিফটে ওঠেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর রাত ১১টা ৫১ মিনিটে তাঁদের রেস্টুরেন্ট থেকে বের হতে দেখা যায়। এরপর তাঁরা মোটরসাইকেলে করে সেখান থেকে চলে যান।


রেস্টুরেন্ট থেকে বের হওয়ার পর তাঁরা কোথায় গিয়েছিলেন, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।


তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বন্ধু দীপকে প্রথমে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় তাহসিফের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে যাওয়া এবং সেসব স্থানে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে তথ্য দেন দীপ। তবে তাঁর বক্তব্যে অসংগতি পাওয়া গেছে বলে দাবি তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে পিবিআই।


নৌ পুলিশের সূত্র জানায়, দীপের আগের বক্তব্য, পরিবারের করা মামলার অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজ ও তদন্তে পাওয়া আলামত মিলিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাহসিফের মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।


এমকে/বিএম২৪