শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাবি ছাত্রশিবিরের ফার্স্ট এইড বক্স বিতরণ

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:৩৮ পিএম
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাবি ছাত্রশিবিরের ফার্স্ট এইড বক্স বিতরণ

জাবি প্রতিনিধি :

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে ২১টি আবাসিক হলের নির্বাচিত সংসদ প্রতিনিধিদের কাছে ফার্স্ট এইড বক্স বিতরণ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। 

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে হলগুলোর স্বাস্থ্য সম্পাদক ও অন্যান্য প্রতিনিধিদের হাতে এসব ফার্স্ট এইড বক্স তুলে দেন তারা। বিতরণের আগে বক্সে থাকা ওষুধের ব্যবহার নিয়ে প্রাথমিক নির্দেশনা দেওয়া হয়। 

এসময় শিবির নেতারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল সেন্টার থাকলেও তা পূর্ণাঙ্গ নয়। জাকসুতে ছাত্রশিবিরের দেওয়া অন্যতম ইশতেহার ছিল শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা। সে ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ। জাকসুর সঙ্গে সমন্বয় করে জাবি ছাত্রশিবির এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে বলেও জানান নেতৃবৃন্দ।

ফার্স্ট এইড বক্স গ্রহণ শেষে বেগম সুফিয়া কামাল হল সংসদের প্রতিনিধি রুবিনা জাহান তিথি বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে প্রতিটি হলের প্রতিনিধিদের হাতে একটি করে ফার্স্ট এইড বক্স তুলে দেওয়া হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সার্ভিসের দুর্বলতা এবং অনেক সময় প্রয়োজনীয় ছোটোখাটো ওষুধের অভাবে, এই ফার্স্ট এইড বক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ, পেইন কিলার এবং হ্যান্ড ড্রামসহ বিভিন্ন সামগ্রী রাখা হয়েছে। হলের মধ্যে এসব ওষুধ সংরক্ষিত থাকলে তা খুবই উপকারী হবে, বিশেষ করে ছোটোখাটো জরুরি প্রয়োজনে এবং মেয়েদের হলের জন্য এটি আরও বেশি কার্যকর হবে।

ফাস্ট এইড বক্স বিতরণ নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২১টি আবাসিক হলের হল সংসদের স্বাস্থ্য সম্পাদকদের হাতে ফার্স্ট এইড বাক্স তুলে দিয়ে হয়েছে। এটি কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল 'সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট'-এর ইশতেহারের অংশ। বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার পূর্ণাঙ্গ না হওয়ায় এবং হলগুলোর কাছাকাছি এলাকায় ফার্মেসি না থাকায় শিক্ষার্থীদের জরুরি ওষুধ সংগ্রহ ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হলে বসেই প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ পাবে, যা তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।