ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ৩৯ নৌযান, গ্রেটা থুনবার্গও আটক
ডেস্ক রিপোর্ট:
ফিলিস্তিনের গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে সমুদ্রপথে যাত্রা করা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ৩৯টি নৌযান আটক করেছে ইসরাইলি নৌবাহিনী। এসব নৌযানে ছিলেন বিভিন্ন দেশের ফিলিস্তিনপন্থি শতাধিক মানবাধিকার ও জলবায়ু কর্মী। তাদের মধ্যে সুপরিচিত সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) আয়োজকেরা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে শুধু একটি নৌযান—‘মিকেনো’—এখনো ফিলিস্তিনি উপকূলের দিকে যাত্রা করছে। তবে মূল বহরের সঙ্গে ওই নৌকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
আয়োজকদের ওয়েবসাইটের ট্র্যাকার অনুযায়ী, আটক হওয়া নৌযানগুলো আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থান করছিল। তবে ইসরাইলি বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করে এগুলোকে থামিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পটভূমি:
২০০৭ সালে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইল কঠোর নৌ অবরোধ জারি রেখেছে। এরপর থেকে বহুবার সমুদ্রপথে গাজায় ওষুধ, খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানোর চেষ্টা হয়েছে।
২০১০ সালে ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ নামের ছয়টি নৌকা নিয়ে গাজামুখী বহরে ইসরাইলি সেনারা হামলা চালালে ৫০টি দেশের ৭০০ কর্মীর মধ্যে ৯ জন নিহত হন।
গ্রেটা থুনবার্গের দ্বিতীয়বার আটক:
এ বছর জুনেও ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে গিয়ে ইসরাইলি নৌবাহিনীর হাতে আটক হয়েছিলেন গ্রেটা থুনবার্গ। তখন ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের একটি ছোট নৌকা থেকে তাকে ও আরও ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি:
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, আটক হওয়া কর্মীদের নিরাপত্তা ও অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। এ ঘটনায় জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।









