শিশুদের শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হতে হবে: জুবাইদা রহমান

প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ পিএম
শিশুদের শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হতে হবে: জুবাইদা রহমান

সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক


জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, শিশুদের শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে হবে। তাহলেই নতুন উদ্যমে তারা নিজেদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সফল হবে।


মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই অপার সম্ভাবনা ও প্রতিভা রয়েছে। সেই প্রতিভা বিকাশের জন্য শিশুদের উপযুক্ত পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ তৈরি করতে হবে।


বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, পাঁচ দশক ধরে নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও শিশু একাডেমি শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।


তিনি বলেন, শিশু একাডেমির আঙিনায় ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অসংখ্য শিশু-কিশোরের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।


শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।


বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নতুন উদ্যোগ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রান্তের শিশুর কাছে শিশু একাডেমির কার্যক্রম পৌঁছে দিতে হবে। আগামী দিনেও প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হয়ে থাকবে।


শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তাদের নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। নতুন উদ্যম ও উদ্যোগের মাধ্যমে তারা সফল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।


তিনি বলেন, ‘প্রতিটি শৈশব হোক নিরাপদ, প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত—এটাই আমাদের কামনা।’


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ শিশু তাদের স্বাগত জানায়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।


আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে তারা শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র গ্যালারি পরিদর্শন করেন।


এমকে/বিএম২৪