প্রেমের টানে চীনের এক যুবক বিয়ে করেছেন কুড়িগ্রামের মেয়ে মোরশেদাকে

প্রকাশিত: ১৭ মে ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
প্রেমের টানে চীনের এক যুবক বিয়ে করেছেন কুড়িগ্রামের মেয়ে মোরশেদাকে

মোঃ কাজল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সদর প্রতিনিধি :

কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ি উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে মোরশেদা বেগম।

তিনি ঢাকায় থাকাকালীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে যান চীনের যুবক আন হুং ওয়েই সাথে। একটু একটু কথা এরপর ভালো লাগা থেকে শুরু হয় প্রেম ভালোবাসা। মোরশেদা বেগম এবং আন হুং ওয়েই'র ভালোবাসার কাছে চীনের দুরত্ব যেন কোন বাঁধা হতে পারলো না। প্রেম ভালোবাসার এক পর্যায় চীন থেকে চলে আসেন সেই যুবক আন হুং ওয়ে। পরে দুইজনের সম্মতিতে দেশের রীতি অনুযায়ী বিবাহ করেন। 

তারা দুইজনে বর্তমান অবস্থান করছেন মোরশেদা বেগমের বাড়ি কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ীতে। চীন থেকে আসা যুবকে এক নজর দেখতে গ্রামবাসীদের মধ্যে তীব্র উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যায়। অনেকে ছবি তুলছেন আবার অনেকে হাত মেলাচ্ছেন কেউবা কথা বলার চেষ্টা করছে। চায়নার সেই যুবককে নিয়ে গ্রামে শুরু হয়েছে কৌতূহল। আলোচনা থেকে এড়ায়নি নেট দুনিয়াও। নেট দুনিয়াও আলোচনার কেন্দ্রবৃন্দ হয়ে পড়েছে চায়নার সেই যুবক।

এ বিষয় স্থানীয়রা জানান, ভাষাগত এবং পরিবেশগত অমিল থাকলেও তার ব্যবহার এবং আচার-আচরণ অত্যান্ত সাবলিল। এ কারণে এলাকাবাসীদের মন মুগ্ধ করেছে চীনা যুবক। যদিও তার ভাষা বুঝতে পারেন না। তবুও তার ইশারা ইঙ্গিত অনেক সহজে বোঝা যায় তার ভিতরের কথা।

স্থানীয়দের পর মোরশেদা বেগম বলেন, তারা ঢাকায় থাকাকালীন মোবাইল ফোন দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রথমে কথা বলেন। এক পর্যায় দুইজনে প্রেমের জড়িয়ে পড়েন। যদিও বাংলাদেশ এবং চীনের দুরত্ব অনেক তারপরেও আন হুং ওয়েই এর কাছে তা বেশি দুরুত্ব মনে হয়নি। সে ঢাকায় আসে এবং আমরা দুইজনে দেশের রীতিমতো বিয়ে করি। সে আমাকে তার দেশে নিয়ে যাবে বলে কথা দেন। এ জন্য বাবার বাড়িতে আসছি।

চীনের যুবক আন হুং ওয়েই বলেন, মোরশেদার এলাকায় এসে সে অনেক খুশি। এখানকার সব কিছুই তার অনেক ভালো লেগেছে। সবাই খুব ভালো। আমি মোরশেদা কে বিয়ে করে অনেক সুখী।