জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ব্যান্ড সোসাইটির আহ্বায়ক আদিত্য, সদস্য-সচিব নব
সূত্রঃ ফাইল ছবি
জাবি প্রতিনিধি
বাংলার শিকড়ের গান থেকে বিশ্বসংগীতের বিভিন্ন ধারা ব্যান্ড সংগীতের মাধ্যমে নানা ঘরানার গান জানা, শেখা, চর্চা ও নতুনভাবে উপস্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ব্যান্ড সোসাইটি (JUBS)।
সংগঠনটির আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ৫০তম ব্যাচের আদিত্য ভৌমিক, পাবলিক হেলথের ৫১তম ব্যাচের সদস্য-সচিব নাইমুল হক নব।
মুখপাত্র হিসেবে মীর সোয়াদ জাবের (অর্থনীতি, ৫২তম) এবং কোষাধ্যক্ষ সৈকত কুমার কানু (বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ৫১তম) রয়েছেন।
আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে রয়েছেন অরুণিমা পাল (আইবিএ, ৫২তম), মইনুল ইসলাম মুনিম (নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা, ৫২তম) এবং মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান (ইতিহাস, ৫২তম)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যান্ড সংগীতের প্রসার, নতুন ব্যান্ড গড়ে ওঠার পরিবেশ তৈরি এবং সংগীতচর্চাকে আরও প্রাণবন্ত ও বহুমাত্রিক করে তোলার লক্ষ্যে এ প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে ব্যান্ড সংগীতের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থী এবং সংগীত ও বাদ্যযন্ত্র শেখার আগ্রহীদের একটি সম্মিলিত চর্চার জায়গা তৈরি করতে কাজ শুরু করেছে সংগঠনটি।
জেইউবিএসের আহ্বায়ক আদিত্য ভৌমিক বলেন, “আমাদের ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক চর্চাটা সব সময় দারুণ। ব্যান্ড সংগীত চর্চা করে এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যাও অনেক। তাদের একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার জন্যই আমাদের এই প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু।”
তিনি বলেন, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ‘Rewind ’80’ আয়োজনের মাধ্যমে আশির দশকের বাংলা ব্যান্ডগুলোকে শ্রদ্ধা জানিয়ে JUBS-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রতি বছর ব্যান্ড সংগীতকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
জেইউবিএসের সদস্য সচিব নাইমুল হক নব বলেন, “প্রচলিত আছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক রাজধানী। তবে সকল ধারার সংস্কৃতিচর্চার জায়গা নিশ্চিত করাই প্রকৃত সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।”
তিনি বলেন, ব্যান্ড সংগীতকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে একটি সংগঠন গড়ে তোলার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছিল। অবশেষে সবাই একটি প্ল্যাটফর্মে একত্র হতে পেরেছেন। শুধু সংগীতচর্চা নয়, সেই চর্চাকে ধারণ করে নতুন মোড়কে উপস্থাপন করাও তাদের লক্ষ্য।
নাইমুল হক নব আরও বলেন, জেইউবিএসের যাত্রার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ১৮ সেপ্টেম্বর ‘Rewind ’80’ আয়োজন করা হয়। আশির দশকের যুগান্তকারী বাংলা ব্যান্ডগুলোকে শ্রদ্ধা জানানোর উদ্দেশ্যে এ আয়োজন করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে সংগঠনটি আরও নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।








