ঈদের ছুটি শেষে সব শিক্ষাঙ্গনে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য
বিপ্লব তালুকদার, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
ঈদুল আজহার টানা ছুটি শেষে আবারও খাগড়াছড়ি শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ খাগড়াছড়ি জেলা ও উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শুরু হয়েছে নিয়মিত পাঠদান।
স্কুল,গুলো খুলে যাওয়ায় শ্রেণিকক্ষে ফিরেছেন শিক্ষার্থীরা এবং উপস্থিতি ও ছিলো দেখার মতো।
শুধু তাই নয় তার পাশাপাশি শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা মিলে শিক্ষকদেরও উপস্থিতি ছিলো চোখে পরার মতো।
ফলে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের শিক্ষাঙ্গনে ফিরে এসেছে চিরচেনা সেই প্রাণচাঞ্চল্য।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ছুটি শেষে খাগড়াছড়ি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ছুটিকালেই শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুত এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি জেলা শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষকরা ইতোমধ্যে নতুন করে তাদের পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেছেন।
শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিলেবাস সম্পন্ন করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষ করে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস ও পুনরাবৃত্তিমূলক পাঠের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা বলেছেন, দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষার্থীদের আবার নিয়মিত পড়াশোনার পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকা রেখেছেন । তাদের মতে, ছুটির আমেজ কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ পুরোপুরি পড়াশোনায় আবারও ফিরে এসেছে।
খাগড়াছড়ি শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান বলেন, দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষার্থীরা নতুন উদ্যম নিয়ে স্কুলে ফিরেছেন। পাঠদানের পাশাপাশি তাদের মানসিকভাবে চাঙা রাখতে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিভাবকদের মধ্যেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে স্বস্তি দেখা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে শিশু-কিশোরদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবনের ছন্দ কিছুটা ব্যাহত হয়েছিল। নিয়মিত ক্লাস শুরু হওয়ায় তারা আবারও নির্ধারিত রুটিনে ফিরে আসছেন।
শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষা কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় শ্রেণিকক্ষের বাইরে থাকলে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে। তাই প্রথম কয়েকদিন শিক্ষার্থীদের পাঠে আগ্রহী করে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা শহরে যানবাহনের চাপও কিছুটা বেড়েছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের যাতায়াতের কারণে সকালবেলায় সড়কে বাড়তি ব্যস্ততা দেখা যায় ।









