গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ভোটের প্রত্যাশা ছিল, হলো না

প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২০ পিএম
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ভোটের প্রত্যাশা ছিল, হলো না

সূত্রঃ সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক



গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশা ছিল। তবে তা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলে রাষ্ট্রপতি পদটি আরও মর্যাদাপূর্ণ হতো।


বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরুর আগে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।


নাহিদ ইসলাম বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। বিএনপি সরকার গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে তা করছে না।


তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হিসেবে তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। বিএনপি কথায় এক ধরনের অবস্থান নিলেও কাজে তার বিপরীতটি করছে। তাদের অভিযোগ, বিএনপি জুলাই সনদ ও গণভোটের রায়ের বিরোধিতা করছে।


সরকার গণভোটের রায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে দাবি করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সরকার ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গেও প্রতারণা করেছে। সারাদেশে দলীয়করণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও দলীয়করণের মাধ্যমে দলীয় প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি নির্ধারিত হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, যেখানে স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই এবং আগেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়, সেখানে গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে বলে মনে করা যায় না। এই নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ ছিল, সেদিকেও দেশ এগোতে পারছে না।


তিনি বলেন, রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করা এবং জনগণকে একটি বার্তা দেওয়ার লক্ষ্যেই তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এর মাধ্যমে তারা গণতন্ত্রের প্রতি নিজেদের শ্রদ্ধার বিষয়টি তুলে ধরতে চেয়েছেন।


তিনি আরও বলেন, সরকার কোনো সংস্কার না করলেও বিরোধীদল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে। নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক করা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা তৈরি করাই এর উদ্দেশ্য।




এমকে/বিএম২৪