শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: হুমায়ুন কবির
সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
পলাতক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কোনো পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সাধারণ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা একজন পলাতক, ফ্ল্যাগড সন্ত্রাসী ও অপরাধী। তাঁকে সাধারণ কোনো যাত্রীর মতো বিবেচনা করার সুযোগ নেই। একজন সন্ত্রাসী ও অপরাধীকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পাসপোর্ট নয়, প্রয়োজন বিচারিক প্রক্রিয়া। এ ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তিই কার্যকর হবে।
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, হাজার হাজার মানুষকে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে সাধারণ বাণিজ্যিক যাত্রী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে হস্তান্তরের দাবি জানানো হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
এদিকে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার পরিকল্পিত ত্রিপক্ষীয় করিডোর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ করিডোর নিয়ে বাংলাদেশ কোনো ভূরাজনৈতিক শঙ্কা দেখছে না। এটি বাস্তবায়িত হলে পুরো অঞ্চল একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। এ আঞ্চলিক করিডোরে যুক্ত হতে বাংলাদেশের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তবে এর আগে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।
চীনা প্রতিনিধিদলের সফর প্রসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, লিউ হাইশিংয়ের এ সফরের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় এবং কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর ও গতিশীল হবে।
এমকে/বিএম২৪









