বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হোক কর্মসংস্থান উপযোগী জনশক্তি তৈরি: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হোক কর্মসংস্থান উপযোগী জনশক্তি তৈরি: রাষ্ট্রপতি

সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। দেশি-বিদেশি শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণ এবং শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব কমাতে উচ্চশিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বঙ্গভবনে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানা, করপোরেট সংস্থা, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি সংস্থায় কাজের জন্য বিদেশ থেকে কর্মী আনতে হচ্ছে। অথচ দেশে অসংখ্য উচ্চশিক্ষিত তরুণ বেকার রয়েছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে উচ্চশিক্ষাব্যবস্থায় সমন্বিত ও সামগ্রিক (হোলিস্টিক অ্যাপ্রোচ) পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কারিগরি, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে আধুনিক ও উচ্চমানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি শিল্প ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ ও কর্মক্ষম কর্মী গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।

মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আহ্বান

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ব্যয় মওকুফ করতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টি দাতব্য ও অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালনার চেষ্টা করছে।

রেজাউল করিমের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৩২ কোটি টাকা মেধাবী, অসচ্ছল ও বিশেষ কোটার শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ এবং বৃত্তি হিসেবে দিয়ে থাকে।

সমাবর্তনে আমন্ত্রণ গ্রহণ

সাক্ষাৎকালে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিবের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সচিব, সদস্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন।


এমকে/বিএম২৪