বিভ্রান্তিকর তথ্য জুড়ে পুরোনো ভিডিও প্রচারের অভিযোগ

প্রকাশিত: ২৬ মে ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
বিভ্রান্তিকর তথ্য জুড়ে পুরোনো ভিডিও প্রচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ নতুন নয়। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে একে অপরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এমনই এক ঘটনায় আলোচনায় এসেছেন চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের জেনারেল শাখায় ডিউটি বণ্টনের দায়িত্বে থাকা হাবিলদার মো. হাফিজ।

অভিযোগ উঠেছে, একটি পুরোনো ভিডিও নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ভিডিওটির সঙ্গে বিভ্রান্তিকর ও ভুল তথ্য সংযোজন করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটার সময়ই বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশ রেলওয়ে হাসপাতাল থেকে মো. হাফিজের ডোপ টেস্ট (মাদক শনাক্তকরণ পরীক্ষা) সম্পন্ন করা হয়।

ডোপ টেস্টের প্রতিবেদন বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) এবং রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল নিরাপত্তা বাহিনীর চিফ কমান্ড্যান্টের কাছে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, পরীক্ষার ফলাফলে মো. হাফিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং তাকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাবিলদার মো. হাফিজ বলেন, “একটি পুরোনো ভিডিও ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিষয়টি পুরোপুরি সত্য নয়। ২০২৩ সালে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তদন্ত করেছে এবং রেলওয়ে হাসপাতাল থেকে মাদক শনাক্তকরণ পরীক্ষাও করা হয়েছে। সেখানে আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। এবং আমার বিরুদ্ধে করা প্রতিবেদনটির আগে আমার কোন বক্তব্যও নেওয়া হয়নি। একটি কুচক্রী মহল আমাকে বদলি করার উদ্দেশ্যে ভুল তথ্য ছড়িয়ে আমার মানহানি করছে।”

এদিকে, সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, পুরোনো ঘটনার ভিডিও নতুনভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পেছনে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সক্রিয় রয়েছে। তারা এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।