ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২১ পিএম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সূত্রঃ সংগৃহীত

জাবি প্রতিনিধি


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদল।


মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান। কর্মসূচিতে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ সময় উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপিও প্রদান করে শাখা ছাত্রদল।


কর্মসূচিতে জাবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, সরকারের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল এ উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে জনবলের ঘাটতি থাকলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহযোগিতা করবেন।


তিনি বলেন, প্রশাসনকে এ বিষয়ে আরও আন্তরিক হতে হবে। গত দুই মাসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ভবিষ্যতে লিফলেট বিতরণসহ এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে ছাত্রদল।


পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনকালে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, পরিচ্ছন্নতার প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্বের দিক থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি প্রাণ-প্রকৃতির এক অভয়াশ্রম। এখানে শুধু মানুষ নয়, ভিন্ন আদর্শের মানুষ এবং বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীও সহাবস্থান করে। তাই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার সময় প্রাণ-প্রকৃতির কোনো ক্ষতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।


তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে মশা, কীটপতঙ্গ ও পরিবেশবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। তাঁদের সহযোগিতা নিয়ে ছাত্রদলের এ উদ্যোগকে কার্যকর করতে প্রশাসন পাশে থাকবে। সরকারের মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সবাইকে সারাজীবন পরিচ্ছন্ন থাকার এবং নিজের ক্যাম্পাস সবসময় পরিষ্কার রাখার অনুপ্রেরণা জোগাবে।


উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের এ ধরনের অংশগ্রহণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জনবল সংকট কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যারা আগ্রহী নন, তাঁদেরও উৎসাহিত করবে।


তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিজের হাতে থাকা ময়লা রাস্তায় না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। ব্যবহৃত টিস্যু রাস্তায় না ফেলে যথাযথ স্থানে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সবাই সচেতন হলে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য রাস্তায় ফেলা বন্ধ করা সম্ভব হবে।



এমকে/বিএম২৪