রিশাদের ঝোড়ো ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩
স্পোর্টস ডেস্ক:
কঠিন উইকেটে একসময় বাংলাদেশের ইনিংস থমকে গিয়েছিল ১৬৩ রানে, হাতে মাত্র তিন উইকেট এবং বাকি ২৪ বল। তখনও বোঝা যাচ্ছিল না, দুইশ রানের গণ্ডি পেরোতে পারবে কি না স্বাগতিকরা। কিন্তু সব শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন তরুণ অলরাউন্ডার রিশাদ হোসেন। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ দিকে চমক দেখায় বাংলাদেশ।
মাত্র ১৪ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন রিশাদ। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩টি ছক্কা ও ৩টি চারে। তাঁর ব্যাটে ভর করেই নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২১৩ রানে ইনিংস শেষ করে বাংলাদেশ।
এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুভ সূচনা পায়নি বাংলাদেশ। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ওপেনার সাইফ হাসানকে মাত্র ৬ রানে ফিরিয়ে দেন আকিল হোসেন। এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন সৌম্য সরকার ও তৌহিদ হৃদয়। কিন্তু হৃদয় ১২ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন, এরপর সৌম্যর সঙ্গী হিসেবে আসেন সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, তিনিও পারেননি বড় ইনিংস খেলতে — আউট হন ১৫ রানে।
একপ্রান্ত আগলে রেখে ধীরে ধীরে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন সৌম্য সরকার। তবে তিনিও বেশিদূর যেতে পারেননি। ৮৯ বলে ৪৫ রান করে আকিলের বলেই ফেরেন তিনি। ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে বাংলাদেশের রান ১২৮/৬— চাপে পড়ে যায় দল।
এই বিপর্যয়ের মধ্যে কিছুটা স্থিতি আনেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নুরুল হাসান সোহান। তবে বড় জুটি গড়তে পারেননি কেউই। সোহান ২৪ বলে ২৩ রান করে আউট হন মোটির বলে। এরপর অঙ্কনও (১৫) সেট হয়ে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন।
শেষ দিকে মাঠে নামেন রিশাদ হোসেন, যিনি শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে প্রতিপক্ষ বোলারদের উপর চেপে বসেন। তাঁর ছোট অথচ কার্যকর ইনিংসেই বাংলাদেশের ইনিংসটি প্রাণ ফিরে পায়।
এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ—জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত করবে স্বাগতিকরা। অন্যদিকে, সফরকারীদের সামনে সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ই একমাত্র পথ।









