শাজাহানপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, হাত ধোয়া প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা

প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৪ পিএম
শাজাহানপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, হাত ধোয়া প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা

ছবি: বিডি মেইল

নাজিরুল ইসলাম, বগুড়া প্রতিনিধি


‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ প্রতিপাদ্যে বগুড়ার শাজাহানপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে হাত ধোয়া প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার শহীদ মোখলেছুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, শাজাহানপুরের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন।


শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী সাহাবুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদ্য বিদায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস ঊর্মি, শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান বিদ্যুৎ, সাবেক আহ্বায়ক আবুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাহীন সানি, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আব্দুল্লাহ বিন আইয়ুব ছোটনসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


অনুষ্ঠানে হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।


আলোচনায় বক্তারা বলেন, হাতের মাধ্যমে বিভিন্ন জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ নানা রোগ ছড়াতে পারে। তাই খাবার খাওয়ার আগে ও খাবার প্রস্তুতের আগে, শৌচাগার ব্যবহারের পর এবং ময়লা-আবর্জনা স্পর্শ করার পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।


বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের মূল লক্ষ্য হলো হাত ধোয়ার অভ্যাসকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং জনসাধারণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। বিশেষ করে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সঠিকভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


আলোচনা সভায় হাত ধোয়ার অভ্যাস ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।