ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০
সূত্রঃ বিডি মেইল
আরিফুল ইসলাম, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও বিএনপি নেতা মো. সরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক মোল্যা ও সরোয়ার হোসেন একই পক্ষের হওয়ায় বিরোধ আরও জটিল আকার ধারণ করে।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেল ৪টার দিকে সরোয়ার হোসেনের সমর্থক মো. টুকু মাতুব্বর সোনাপুর বাজারে গেলে লাভলুর সমর্থকদের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাজারে জড়ো হন।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারিতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা থাকায় সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও সরোয়ার হোসেনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও সরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।









