চবিতে গবেষণার মানোন্নয়নে রিসার্চ ওয়ার্কশপ

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম
চবিতে গবেষণার মানোন্নয়নে রিসার্চ ওয়ার্কশপ

সূত্রঃ বিডি মেইল

আহমেদ মুনহা, চবি প্রতিনিধি


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) গবেষণা ও প্রকাশনা দপ্তরের উদ্যোগে কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের শিক্ষকদের অংশগ্রহণে রিসার্চ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।


বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ইকবাল শাহীন খান এবং সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং উদ্বোধনী সেশনে স্বাগত বক্তব্য দেন রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, শিক্ষকদের গবেষণায় আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে। অনেক সময় শুধু পদোন্নতির প্রয়োজনেই গবেষণায় মনোযোগ দেওয়া হয়। অথচ গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সমাজ ও বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডারে অবদান রাখা।


তিনি বলেন, একজন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে তারা শুধু বাংলাদেশে নয়, বৈশ্বিক কর্মবাজারেও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারে। গবেষণার ফলাফল যেন শুধু জার্নালে প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগযোগ্য হতে হবে।


উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি শক্তিশালী ‘রিসার্চ ইকোসিস্টেম’ তৈরি করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ হলো জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণ, আর গবেষণা জ্ঞান সৃষ্টির অন্যতম প্রধান মাধ্যম।


তিনি বলেন, একজন শিক্ষকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস হওয়া উচিত পড়া ও লেখা। শিক্ষকতা শুধু পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষক, গবেষক ও জ্ঞানসৃষ্টিকারী—এই তিনটি পরিচয়কে একসঙ্গে ধারণ করতে হবে।


কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন সেলের সদস্য প্রফেসর ড. আবু নছর মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ। এতে রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন সেলের সদস্যবৃন্দ এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা অংশ নেন।


কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং যুগোপযোগী গবেষণা পরিচালনার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।