গোবিপ্রবিতে বাড়ছে অশালীনতা, পদক্ষেপ নেই প্রশাসনের

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম
গোবিপ্রবিতে বাড়ছে অশালীনতা, পদক্ষেপ নেই প্রশাসনের

সূত্রঃ সংগৃহীত

মো. নাঈম আশরাফ, গোবিপ্রবি প্রতিনিধি


গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে যুগলদের আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্বস্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ও নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।


শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকপাড়, কফি হাউস, মন্দিরসংলগ্ন এলাকা, কেন্দ্রীয় মাঠের বসার বেঞ্চসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই যুগলদের অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থায় দেখা যায়। বিশেষ করে রাত গভীর হলে এসব ঘটনা বেশি ঘটে বলে জানান তারা।


তাদের ভাষ্য, রাতে এসব এলাকায় মানুষের চলাচল কম থাকায় কিছু ব্যক্তি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের সুযোগ নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণী এবং বহিরাগতদেরও ক্যাম্পাসে এসে এসব কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।


সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন আরিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রেম-ভালোবাসা স্বাভাবিক বিষয় হলেও তা থেকে অনৈতিক বা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো দৃষ্টিকটু। ক্যাম্পাসের পরিবেশ সুন্দর ও সুশৃঙ্খল রাখতে প্রশাসনের আরও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।


অর্থনীতি বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মারজাহান আক্তার শিমু বলেন, বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের কারণে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিয়মিত নিরাপত্তা টহল জোরদারের দাবি জানান তিনি।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আহসান সৌরভ বলেন, ক্যাম্পাসে কোনো শিক্ষার্থী বা বহিরাগতকে অসংগতিপূর্ণ কিংবা কোনো যুগলকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখলে প্রক্টরিয়াল বডিকে জানাতে আনসার সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


তিনি বলেন, প্রতিদিন রাত ৯টার দিকে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা টহল দেওয়া হয়। এর আগে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া কয়েকটি যুগলের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। একই ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটলে অভিভাবকদের ডাকা হবে বলেও জানান প্রক্টর।