কালিগঞ্জে প্রকল্পের তথ্য চাওয়ায় পিআইওর বিরুদ্ধে সাংবাদিক লাঞ্ছনার অভিযোগ
সূত্রঃ ফাইল ছবি
এস এম তাজুল হাসান সাদ, স্টাফ রিপোর্টার
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আবেদন গ্রহণের সময় এক সাংবাদিকের কাছে ৪ হাজার টাকা দাবি, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় সাংবাদিক মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আরাফাত আলী তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী বিভিন্ন তথ্য চেয়ে নির্ধারিত আবেদনপত্র জমা দিতে কালিগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। এ সময় পিআইও মফিজুল ইসলাম তথ্য প্রস্তুতের জন্য ৪ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার কারণ জানতে চাইলে পিআইও বলেন, “কাগজপত্র প্রস্তুত করতে আমার লেবার খরচ দিতে হবে”— এমন দাবি করেন অভিযোগকারী সাংবাদিক।
সাংবাদিক আরাফাত আলীর ভাষ্য, তথ্য অধিকার আইনে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের কোনো বিধান না থাকায় তিনি আপত্তি জানান। এতে পিআইও ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকদের সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় সাংবাদিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পিআইও কার্যালয়ের এক অফিস সহকারীর মাধ্যমে মোবাইল ফোনটি ফেরত দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালিগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মফিজুল ইসলাম সাংবাদিকের কাছে ৪ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি সাংবাদিকের মোবাইল ফোনটি নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে পরে সেটি ফেরত দেওয়া হয়েছে।
কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহা বলেন, “অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ করায় মোবাইল ফোনটি নেওয়া হয়েছিল। পরে সেটি ফেরত দেওয়া হয়েছে।”
এদিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাওসার আজিজ বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমকে/বিএম২৪









